প্রেগন্যান্সি কতদিন পর সহবাস করা যায়

৳ 650.00

>> সারাদেশে ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৫০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা ?

>>কিনতে নিচের ডান পাশে Buy nuy 👇 বাটনে ক্লিক করে অর্ডার করুন ?

Description

প্রেগন্যান্সি কতদিন পর সহবাস করা যায়বাচ্চা হওয়ার পর সাধারণত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়。 এই সময়ের মধ্যে জরায়ু আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং প্রসবজনিত কাটাছেঁড়া বা সেলাই শুকিয়ে যায়。 তবে শারীরিক সুস্থতা অনুযায়ী সঠিক সময়টি নির্ভর করে

প্রেগন্যান্সি কতদিন পর সহবাস করা যায়

৪-৬ সপ্তাহের নিয়ম: সন্তান জন্মের পর রক্তস্রাব (লোচিয়া) পুরোপুরি বন্ধ হওয়া এবং জরায়ুর মুখ বন্ধ হওয়া অপরিহার্য。 এই সময়ের আগে সহবাস করলে ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে。

সেলাই ও কাটাছেঁড়া: স্বাভাবিক ডেলিভারিতে ভ্যাজাইনাল টিয়ার বা সি-সেকশনের (সিজার) সেলাই থাকলে তা পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে。

চিকিৎসকের পরামর্শ: সহবাস শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছ থেকে শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত。

গর্ভধারণের ঝুঁকি: স্তন্যপান করালেও সন্তান জন্মের পরপরই পুনরায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। তাই সহবাসের ক্ষেত্রে উপযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত

শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এ সময় যোনিপথ শুষ্ক থাকতে পারে, তাই প্রয়োজনে লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে。 পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি কেটে যাওয়ার পরই কেবল সহবাসে ফিরে যাওয়া উচিত

১. প্রথম ত্রৈমাসিক (০-১৩ সপ্তাহ)

এই সময়ে গর্ভাবস্থার হার্টবিট ও প্লেসেন্টার তৈরি হওয়ার প্রাথমিক পর্যায় থাকে। কিছু নারীর এই সময়ে ক্লান্তি, মর্নিং সিকনেস বা অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সহবাস করা উচিত, কিন্তু সাধারণভাবে এটি নিরাপদ। হরমোনের পরিবর্তন এবং শারীরিক পরিবর্তনের কারণে এ সময় মায়েদের সহবাস অনুভুতি বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে এর সাথে সাথে গর্ভধারণের বিভিন্ন সমস্যা যেমন- ক্লান্ত লাগা, বমি বমি ভাব, স্তনে ব্যাথা এবং ঘন ঘন বাথরুমে যাওয়ার কারণে শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা নাও করতে পারে।

২. দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক (১৪-২৬ সপ্তাহ)

এই পর্যায়ে গর্ভাবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল থাকে এবং নারীর শরীর কিছুটা সুস্থ থাকে। সহবাস সাধারণভাবে নিরাপদ, তবে আবারও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করা উচিত। এ সময় প্রথম ট্রাইমেস্টারের সমস্যাগুলো চলে যায় বা আপনি সমস্যাগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অভ্যস্ত হয়ে যান। এ সময় শারীরিক মিলনে অসুবিধা হওয়ার মত পেটও বড় হয়না। এখন আগের চাইতে বেশী শারীরিক মিলনের ইচ্ছে জাগতে পারে।

৩. তৃতীয় ত্রৈমাসিক (২৭ সপ্তাহ থেকে জন্ম পর্যন্ত)

এই সময়ে গর্ভপাতের ঝুঁকি কমে যায়, কিন্তু কিছু শারীরিক পরিবর্তন ও আরামদায়ক অবস্থান বিবেচনায় রাখতে হবে। সহবাসের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত এবং কোনও অস্বস্তি বা সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে এসে মিলনের ইচ্ছা আবার কমে যেতে পারে। এ সময় পেট অনেক বড় হয়ে যায়, যার ফলে কিছু পজিশনে মিলিত হওয়া অসুবিধাজনক হয়ে ওঠে। এছারাও এ সময় প্রসব এবং বাচ্চা জন্মদান নিয়ে মায়েরা বেশী চিন্তিত থাকেন।মনে রাখবেন গর্ভাবস্থায় সহবাস না করেও একে অন্যকে সুখী রাখতে পারেন।