Author: admin

  • মেরাজ নামাজের নিয়ত । শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম

    মেরাজ নামাজের নিয়ত । শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম

    মেরাজ নামাজের নিয়ত , শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম , বাংলাদেশের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান শবে মেরাজের নামাজ কিভাবে পড়তে হবে তা জানার জন্য গুগলে অনুসন্ধান করে। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টা তুলে ধরা হয়েছে শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত। অন্যদিকে শবে মেরাজের রোজা কয়টি সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    মেরাজ নামাজের নিয়ত

    মেরাজ নামাজের নিয়ত

    উচ্ছারনঃ নাওয়াইতুআন উছাল্লিয়া লিল্লাহে তা’আলা রাক’আতায় ছালাতি লাইলাতিল মে’রাজ মুতাওইয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার। যদি আপনি মনে করেন এটি মুখস্ত করতে সমস্যা বা মনে থাকে না। তাহলে এই নিয়ত আপনি বাংলায় ও করতে পারেন আপনার মনের ইচ্ছে মত।

    অন্যান্য নফল নামাজের মতই এই নামাজের নিয়ত করবেন। উচ্চারণ- নাওয়াইতুআন উছাল্লিয়া লিল্লাহে তা’আলা রাক’আতায় ছালাতি লাইলাতিল মে’রাজ মুতাওইয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আক্বার।Gazivai.com এ ২ পিস প্যান্টের বেল্ট মেশিন ৫৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    মেরাজ নামাজের নিয়ত

    যদি আপনি মনে করেন এটি মুখস্ত করতে সমস্যা বা মনে থাকে না। তাহলে এই নিয়ত আপনি বাংলায় ও করতে পারেন আপনার মনের ইচ্ছে মত। যেমন: আমি কেবলা মুখি হয়ে মে’রাজ এর দুই রাক’আত নফল নামাজ আল্লাহ্ কে রাজি ও খুশির জন্য আদায় করিতেছি। আল্লাহু আকবার।

    পবিত্র শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম

    দুই, দুই রাকাত এর নিয়তে কমপক্ষে ১২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করতে হয়। (তাছাড়া ও আপনি বিভিন্ন নফল ইবাদাতসহ আর বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করতে পারেন।) তবে মনে রাখবেন এশার নামাজ আদায় করার পরপরই তিন রাকাত বিতরের নামাজ আদায় করবেন না। এই তিন রাকাত নামাজ আদায় করবেন সকল নফল নামাজ এর পর।স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক দেশি-বিদেশি বিখ্যাত বই কিনতে ক্লিক করুন – এখনি কিনুন 

    মেরাজ নামাজের নিয়ত

    শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত

    বর্তমান সময়ে আধুনিকতার জন্য আমরা অনেকেই শবে মেরাজের ইতিহাস ভুলতে চলেছি। তাই আমরা অনেকেই জানিনা শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত করে পড়তে হয়। তাই আপনাদের জন্য বিস্তারিতভাবে আজকের পোস্টে তুলে ধরেছি শবে মেরাজের নামাজ কত রাকাত।

    শবে মেরাজের নামাজ নফল নামাজ হিসেবে আমাদের কাছে পরিচিত। তাই দু রাকাত করে নফল নামাজ আকারে যে যতো খুশি ততো বেশী আমল করতে পারে।

    সর্বনিম্ন ১২ রাকাত পড়তে হবে, ২ রাকাত করে সর্বমোট ১২। আপনারা চাইলে আরো বেশি বেশি নফল নামাজ পড়তে পারেন।

  • নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ । নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ । নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ , নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয় আসসালামুয়ালাইকুম পাঠক বৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো ফজরের নামাজের নিয়ত সম্পর্কে। নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম ইবাদত। আমরা সবাই জানি, নামাজ বেহেশতের চাবি।

    হাদিসে পাকের মধ্যে আসছে প্রত্যেক কাজের বিনিময় তার নিয়তের উপর বর্তায় অর্থাৎ যার নিয়ত যেমন হবে তার প্রতিধান সেরকম দেয়া হবে, তাই আমাদের নিয়তকে শুদ্ধ করা দরকার। আজ আমরা নামাজ পড়ি অথছ আমরা নামাজের নিয়ত করি না যদিও নামাজের নিয়ত আরবীতে বলা জরুরি না । Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    ফজরের ২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আক্বার।) Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া ফজরের দুইরাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    ফজরের ২ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া ফজরের দুইরাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    বিশেয় দ্রষ্টব্যঃ ইমামতি করিতে-আনা ইমামুল্লিমান হাজারা ও মাইয়্যাফজুরু সহ মুতাওয়াজ্জিহান বলতে হবে আর ইমামের পিছনে নামাজ পড়িতে হলে বলতে হবে(এক্তাদাইতু বিহা-যাল ইমামি মুতা ওয়াজ্জিহান…) Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    জোহরের নামাজ
    জোহরের মোট ১২ রাকাত। সূর্য মাথার উপর হইতে পশ্চিম্ দিকে একটু হেলিয়া পড়িলেই জোহরের নামাযের ওয়াক্ত আরম্ভ হয় এবং কোন কিছুর ছায়া দ্বিগুণ হইলে জোহরের ওয়াক্ত শেষ হইয়া যায়।

    জোহরের ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। )

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    জোহরের ৪ রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি ফারজুল্লাহি তাআলঅ মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    জোহরের ২ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতাই সালাতিজ জোহরি সুন্নাতি রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    জোহরের ২ রাকায়াত নফল নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল নাফলি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের দুই রাকাত নফল নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    আছর নামাজ
    আছরের নামায মোট ৮ রাকাত। কোন লাকড়ির ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার পর হইতে সূর্যাস্তের ১৫/২০ মিনিট পূর্বে পর্যন্ত আছরের নামাযের সময় থাকে।

    আছরের চার রাকায়াত সুন্নাত নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া আছরের চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    আছরের চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া আছরের চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    মাগরিবের নামাজ
    মাগরিবে মোট ০৭ রাকায়াত। সূর্যাস্তের পর হইতে মাগরিবের নামাযের সময় হয় মাগরিবের ওয়াক্ত অতি অল্পকাল স্থায়ী।

    মাগরিবের ৩ রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকয়াতি সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    মাগরিবের ২ রাকায়াত সুন্নাত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    উক্ত দুই রাকায়াত সুন্নত নামায শেষ হইলে দুই রাকয়াত নফল নামাজ পরিবেন।

    এশার নামাজ
    এশার ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    এশার চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    এশার দুই রাকায়াত সুন্নাত নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতি সালাতিল এশায়ি সুন্নাতু রাসুূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

    তিন রাকায়াত বেতের নামাজের নিয়ত
    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকায়াতি সালাতিল বিতরি ওয়াজিবুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নিয়ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ইবাদাত বিশুদ্ধ ও কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
    রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন,عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى المِنْبَرِ
    قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّات(صحيح البخارى، رقم-1)
    নিশ্চয় সমস্ত আমল বিশুদ্ধ হওয়া না হওয়া নিয়তের নির্ভরশীল।
    মূলত নিয়ত অন্তরে ইচ্ছাপোষণের নাম। কোন ইবাদত করার আগে অন্তরে ইচ্ছাপোষণ করাই যথেষ্ট। মুখে উচ্চারণ আবশ্যক/জরুরী নয়।
    এ ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের ঐক্যমত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
    وَقَدْ أَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى أَنَّهُ لَوْ نَوَى بِقَلْبِهِ وَلَمْ يَتَكَلَّمْ فَإِنَّهُ يَجُوزُ كَمَا حَكَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ
    তবে মুখে উচ্চারণ করতে হবে কিনা বা উচ্চারণ করা যাবে কিনা? এনিয়ে দুটো প্রান্তিক অবস্থান লক্ষণীয়।
    কেউ কেউ মুখে উচ্চারণ করাটাকে এতটাই জরুরী মনে করেন যে,মাঝে মাঝে তাকবীরে উলা ও রাকাত ছুটে গেলেও তারা এটা করতেই থাকেন। কেউ কেউ তো মুখে উচ্চারণ করা জরুরী মনে করেন! না করলে নামাজই হবেনা এমন ধারনাও পোষণ করেন। এমন কাজ ও ধারণা কোনভাবেই ঠিক না। পরিত্যাজ্য।
    অপরদিকে বিরুদ্ধবাদীদেরও একটি প্রান্তিক অবস্থান দেখা যায়। তা

  • শবে মেরাজ নিয়ত । শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত

    শবে মেরাজ নিয়ত । শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত

    শবে মেরাজ নিয়ত , শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত আসসালামুয়ালাইকুম পাঠক বৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো ফজরের নামাজের নিয়ত সম্পর্কে। নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম ইবাদত। আমরা সবাই জানি, নামাজ বেহেশতের চাবি।

    বাংলাদেশের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান শবে মেরাজের নামাজ কিভাবে পড়তে হবে তা জানার জন্য গুগলে অনুসন্ধান করে। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টা তুলে ধরা হয়েছে শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত। অন্যদিকে শবে মেরাজের রোজা কয়টি সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    শবে মেরাজ নিয়ত

    শবে মেরাজ হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখ পুরো মুসলিম বিশ্বে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তাই এ বছর শবে মেরাজের তারিখ পড়েছে ইংরেজি মাসের ফেব্রুয়ারি 28 তারিখ। তাই যারা শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত জানতে চান। তাদের জন্য বিস্তারিতভাবে শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত তুলে ধরা হয়েছে।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    শবে মেরাজ নিয়ত

    শবে মেরাজ নিয়ত

    যারা শবে মেরাজের নামাজ পড়বেন বা ওই রাত্রিতে আমল করবেন ভাবছেন। তাদের জন্য লাইলাতুল মেরাজের নামাজের নিয়ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই আজকের পোস্টে উল্লেখ করেছি শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত। মনে মনে বাংলা নিয়ত সবচাইতে ভালো।

    আরবি নিয়তঃ নাওয়াইতুআন উছাল্লিয়া লিল্লাহে তা’আলা রাক’আতায় ছালাতি লাইলাতিল মে’রাজ মুতাওইয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি আল্লাহু একবার।

    বাংলা নিয়তঃ কিবলামুখী হইয়া ২ রাকাত লাইলাতুল মেরাজের নফল নামাজ পড়তেছি আল্লাহু আকবার । Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    শবে মেরাজ নিয়ত

    শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত

    বর্তমান সময়ে আধুনিকতার জন্য আমরা অনেকেই শবে মেরাজের ইতিহাস ভুলতে চলেছি। তাই আমরা অনেকেই জানিনা শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত করে পড়তে হয়। তাই আপনাদের জন্য বিস্তারিতভাবে আজকের পোস্টে তুলে ধরেছি শবে মেরাজের নামাজ কত রাকাত।

    শবে মেরাজের নামাজ নফল নামাজ হিসেবে আমাদের কাছে পরিচিত। তাই দু রাকাত করে নফল নামাজ আকারে যে যতো খুশি ততো বেশী আমল করতে পারে।

    সর্বনিম্ন ১২ রাকাত পড়তে হবে, ২ রাকাত করে সর্বমোট ১২। আপনারা চাইলে আরো বেশি বেশি নফল নামাজ পড়তে পারেন।

    শবে মেরাজের রোজা কয়টি

    আমরা আমাদের সমাজে তাকালে দেখতে পাই অনেক চাচি মামি খালা শবে মেরাজের রোজা রাখার জন্য বসে আছে। অনেক সময় তারা জিজ্ঞাসা করে শবে মেরাজে কয়টি রোজা রাখতে হবে। তাই নিচে তুলে ধরা হয়েছে শবে মেরাজের রোজা কয়টি।

    সাধারণত সব চন্দ্র মাসের ১৪ বা ১৫ তারিখে রোজা রাখা বিশেষ ফজিলত পূর্ণ বা সোমবার, বৃহসপতিবার রোজা রাখা সুন্নত সেই হিসেবে আমরা রজব মাস এর ১৪ বা ১৫ তারিখে রোজা রাখতে পারি কিন্তু শবে মেরাজকে উপলক্ষে কোন রোজা রাখা যাবে না সুতরাং শবে মেরাজের রোজা কয়টি বা শবে মেরাজের রোজা কত তারিখে এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া যাবে না ।

    শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম

    শবে মেরাজ আমরা পেয়েছি নবীজির কারণে। কারণ নবীজি আরবি ক্যালেন্ডার এর রজব মাসের 26 তারিখ আসমানে গমন করেন। সেখানে আল্লাহতালার সাথে দেখা করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহর কাছ থেকে হুকুম হিসেবে নবীজি পান। তারপর থেকে সকল মুসলিম নর-নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে

    তাই সেই রাত্রি কে স্মরণ করে অনেকেই শবে মেরাজের নামাজ পড়ে থাকে। নিচে আমরা তুলে ধরেছি কিভাবে শবে মেরাজের নামাজ আদায় করতে হবে। নিয়ম গুলো দেখুন:

    ২ রাকাত করে নামাজ আদায় করবেন
    ০৪ রাকাত পর পর মোনাজাত করতে পারেন
    বেশি বেশি জিকির করবেন
    নামাজের নিয়ত উপরে দেওয়া হয়েছে
    সর্বনিম্ন ১২ রাকাত নামাজ আদায় করবেন।
    এশার বিতর নামায সবার পরে পড়বেন।
    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে শবে মেরাজের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে শবে মেরাজের নামাজ কয় রাকাত ও রোজা কয়টি সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায় । ফজরের নামাজের নিয়ম

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায় । ফজরের নামাজের নিয়ম

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায় , ফজরের নামাজের নিয়ম আসসালামুয়ালাইকুম পাঠক বৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো ফজরের নামাজের নিয়ত সম্পর্কে। নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম ইবাদত। আমরা সবাই জানি, নামাজ বেহেশতের চাবি।

    নামাজ মুসলিমদের একটি অবশ্য পালনীয় ইবাদত।প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট নিজেকে নিবেদিত করে। পবিত্র কোরআনে মোট ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে। এতে বোঝা যায় এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার নিকট অধিক প্রিয়।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায়

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায়

    প্রত্যেক নামাজের পূর্বে নিয়ত করে নেয়া জরুরি। ফজরের নামাজের নিয়ত হিসেবে যে দোয়া পড়তে হয় তা হলো:

    সুন্নত নামাজের ক্ষেত্রে নিয়ত:

    “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি,, সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তাআলা মুতাওয়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।”

    বাংলা অর্থ:
    “ক্বিবলামুখি হয়ে ফজরের সুন্নত নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নিয়ত করলাম , আল্লাহু আকবার।”

    ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে নিয়ত:

    “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি,, ফারজুল্লাহি তাআলা মুতাওয়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।” Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    বাংলা অর্থ:
    “ক্বিবলামুখি হয়ে ফজরের ফরজ নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নিয়ত করলাম , আল্লাহু আকবার।”

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায়

    ফজরের নামাজের নিয়ম

    এবার আসি ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয় তা নিয়ে আলোচনা করা যাক। সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের নামাজ আদায় করতে হয়।ফজরের সময় শুরু হয় সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত।

    আল্লাহ তায়ালা আল-কুরআনে বলেছেন :- “তোমরা সালাত কায়েম করো দিবসের দুই প্রান্তে রজনীর কিছু অংশ অতিবাহিত হওয়ার পর। অবশ্যই সৎকর্ম অসৎকর্মকে মিটিয়ে দেয়।উপদেশ গ্রহনকারীদের জন্য এ এক উপদেশ।” (সূরা হুদ-১১:১১৪)

    ফজরের সময় দিন ও রাতের ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। তাই এ সময়ের নামাজ অধিক উত্তম। সব নামাজ আদায়ের পূর্বেই আগে অজু করে নিতে হয়। আর ফজরের সুন্নত ও ফরজ নামাজের নিয়ম একই। শুধু নিয়ত আলাদা। Gazivai.com এ ফর্সা হওয়ার ক্রিম ও বডি লোশন কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    ফজরের নামাজের নিয়ত বাংলায়

    ✓ফজরের নামাজের পূর্বে ঠিকমতো ওজু করে পাক-পবিত্র হয়ে নিতে হবে।

    ✓তারপর জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নিয়ত পড়ে নিতে হবে।

    ✓আরবি নিয়ত পড়া মুস্তাহাব।নিয়ত পড়ে কান বরাবর হাত উঠিয়ে “আল্লাহু আকবার” বলে হাত বাঁধতে হবে।

    ✓তারপর সানা পড়তে হবে।

  • নামাজের নিয়ত আরবিতে । নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নামাজের নিয়ত আরবিতে । নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নামাজের নিয়ত আরবিতে , নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয় নামাজের নিয়ত সহিহ নিয়ত ব্যতীত কোনো আমলই আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না। বান্দার আমল কবুল হওয়া বা না হওয়াটা নিয়তের উপরই নির্ভরশীল। প্রিয় নবি – সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – বলেন – নিশ্চয় সকল আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল।’ (সহিহ বুখারি – ১)

    তাই প্রতিটি আমল কবুল হওয়া এবং এর বিনিময়ে পুরুষ্কার পাওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে শুদ্ধ নিয়ত। নিয়ত শুদ্ধ না থাকলে আমলের কোনো ফল পাওয়া যাবে না। মুমিন জীবনে যেহেতু নামাজ অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি ফরজ ইবাদাত। তাই স্বাভাবিকভাবেই নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করতে হবে। Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    নামাজের নিয়ত আরবিতে

    কিন্তু নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়? নিয়তের জন্য আরবি কোনো বাক্য উচ্চারণ করতে হবে কি না? এই প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করে সমাজে বিরাট বড় একটি ভুল প্রচলিত রয়েছে।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।

    নামাজের নিয়ত আরবিতে

    আরবীতে নিয়ত ‘নাওয়াইতুআন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাক’আতাই সালাতি লাইলাতিল বারাতিন নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার’। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    নামাজের নিয়ত আরবিতে

    সালাতুল ফজর
    ফজরে প্রথমে দুই রাকাআত সুন্নাত এবং পরে দুই রাকাআত ফরজ।

    সুন্নত নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আক্বার।

    ফরজ নামাজের নিয়ত : নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    নামাজের নিয়ত আরবিতে

    সালাতুল জোহর
    যুহরের নামাজ প্রথমে চার রাকাআত সুন্নাত। তারপর চার রাকাআত ফরজ এবং তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। এ দশ রাকাআত পড়া উত্তম। কেউ কেউ সর্বশেষ দুই রাকআত নফল নামাজও পড়ে। এ হিসেবে জোহরের নামাজ ১২ রাকাআত আদায় করা হয়।

    সুন্নত নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    ফরজ নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি ফারজুল্লাহি তাআলঅ মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    সুন্নত নামাজের নিয়ত : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতাই সালাতিজ জোহরি সুন্নাতি রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    সালাতুল আসর
    আসরের নামাজ চার রাকাআত পড়া ফরজ। কেউ কেউ ফরজের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত নামাজ পড়ে থাকে।

    ফরজ নামাযের নিয়ত: চার রাকায়াত ফরজ নামাযের নিয়ত নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    সালাতুল মাগরিব
    মাগরিবে প্রথম তিন রাকাআত ফরজ। তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। কেউ কেউ সুন্নাতের পর দুই রাকাআত নফল পড়ে থাকে।

    ফরজ নামাযের নিয়ত : নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকয়াতি সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    সুন্নাত নামাযের নিয়ত : নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    সালাতুল ইশা
    ইশার নামাজে চার রাকাআত ফরজ। তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। অতপর তিন রাকাআত বিতর। বিতর পড়া ওয়াজিব। অনেকে ফরজের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত এবং বিতরের পর দুই রাকাআত নফলও নামাজ পড়ে থাকে।

    চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত : নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    সুন্নাত নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতি সালাতিল এশায়ি সুন্নাতু রাসুূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    তিন রাকায়াত বেতের নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকায়াতি সালাতিল বিতরি ওয়াজিবুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, সুতরাং নামাজের পূর্বে নিয়ত করা প্রয়োজন। নিয়ত হলো অন্তরের সাথে দৃঢ় সংকল্প, শব্দের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া অর্থ না জানলে তো নিয়তই হবে না। তাই মনের মধ্যে ইচ্ছা নিয়ে আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করে দেবেন, তাহলেই হবে।

  • আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত । জুমার নামাজ কত রাকাত

    আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত । জুমার নামাজ কত রাকাত

    আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত , জুমার নামাজ কত রাকাত পবিত্র রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদতে মশগুল থাকবেন। আর রোজা রাখা তো আছেই। রোজা রাখার জন্য সাহরি খেতে হয়। সাহরি খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাহরি হচ্ছে বিশ্ব মুসলিমবাসীর ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী খাবার। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুক্রবার। এদিন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শরিক হন জুমার নামাজে। বলা হয়ে থাকে শুক্রবার তথা জুমাবার হচ্ছে মুসলিম জাহানের সাপ্তাহিক ঈদ।

    সাপ্তাহিক প্রধান ইবাদত জুমার নামাজ। প্রতি সপ্তাহে একবার মুসলিম উম্মাহ জুমার নামাজ উপলক্ষ্যে জামে মসজিদে একত্রিত হয়, সম্মিলিত হয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাতারবন্দী হয়ে নামাজ আদায় করে। নামাজের আগে নসিহতমূলক খুতবা শোনে। এর বিনিময়ে মহান আল্লাহ বান্দার বিগত এক সপ্তাহের গুনাহসহ অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেন। কিন্তু এ জুমার নামাজ কত রাকাত পড়তে হয় আবার এ নামাজ পড়ার নিয়ত কী ।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ২ পিস প্যান্টের বেল্ট মেশিন ৫৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত

    আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত

    জুমার নামাজের রাকাতের সংখ্যা

    • চার রাকাত কাবলাল জুমা,
    • দুই রাকাত ফরজ ও
    • চার রাকাত বাদাল জুমা।

    চার রাকাত কাবলাল জুমার নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি কাব্‌লাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে চার রাকায়াত কাবলাল জুমার সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

    জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন্‌ উসকিতা আন্‌ জিম্মাতী ফারদুজ্জহ্‌রি, বি-আদায়ি রাকয়াতাই ছালাতিল্‌ জুমুয়াতি, ফারজুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমার উপর জুহরের ফরজ নামাজ আদায়ের যে দায়িত্ব রয়েছে, আমি কেবলামুখী হয়ে, জুমার দুই রাকায়াত ফরজ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তা পালনের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর। Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    আরবিতে জুমার নামাজের নিয়ত

    চার রাকাত বাদাল জুমার নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি বাদাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে চার রাকায়াত বাদাল জুমা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

    জুমার নামাজ পড়ার নিয়ম

    দুই রাকাত জুমার নামাজ পড়া ফরজ। এছাড়া ফরজ নামাজের আগে চার রাকাত কাবলাল জুমা এবং পরে চার রাকাত বাদাল জুমা (সুন্নাত নামাজ) আদায় করতে হয়। এ ছাড়াও মসজিদে প্রবেশ করেই দুই রাকাত দুখুলিল মসজিদ নামাজ আদায় করা সুন্নাত। জুমার নামাজের আগের পরের এসব নামাজ জুমার নামাজের অংশ নয়।

    জুমার নামাজের জন্য জামাত শর্ত। জামাতের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। তা একাকি আদায় করা যায় না। জুমার নামাজের আজান হলে সব কাজ-কর্ম বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে কোরআনে।

    যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া (যেমন খুব অসুস্থ ব্যক্তি) জুমার নামাজ ত্যাগ করার সুযোগ নেই। জুমা আদায় করতে না পারে তবে তার ক্ষেত্রে জোহরের নামাজ আদায় করা নিয়ম। তাছাড়া কিছু ক্ষেত্রে সুস্থ ব্যক্তির উপর, যেমন ভ্রমণকারী (মুসাফির) অবস্থায় জুমার আবশ্যকতা থাকে না এবং সেক্ষেত্রে জোহরের নামাজ আদায় করলে তা গ্রহণীয় হয়। তবে ভ্রমণকারী চাইলে জুমা আদায় করতে পারে।

    সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমার দিন আগে আগে মসজিদে গিয়ে ২ রাকাত জুমার ফরজ নামাজ ইমামের সঙ্গে আদায় করা। জুমার ফজিলত ও বরকত গ্রহণের আগ্রহী হওয়া

  • রোজা খোলার নিয়ত । রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া

    রোজা খোলার নিয়ত । রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া

    রোজা খোলার নিয়ত , রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া পবিত্র রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদতে মশগুল থাকবেন। আর রোজা রাখা তো আছেই। রোজা রাখার জন্য সাহরি খেতে হয়। সাহরি খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাহরি হচ্ছে বিশ্ব মুসলিমবাসীর ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী খাবার।

    এটি রমজান বা বছরের অন্যান্য যেকোনো দিন রোজা পালনের জন্য ফজরের নামাজের পূর্বে খাওয়া হয়। ইসলামের নিয়মানুযায়ী রমজান মাসে প্রতিটি সুস্থ-সবল মানুষের জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক।

    সাহরি খাওয়ার পর রোজা রাখার নিয়ত করতে হয়। রোজা রাখার আরবি নিয়তের বাংলা উচ্চারণ- নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিং শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম । Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    রোজা খোলার নিয়ত

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    রোজা খোলার নিয়ত

    اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

    অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

    রোজা খোলার নিয়ত

    ইফতারের পর আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়া

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

    ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

    উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

    অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত) Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সাহরির পর নিয়ত করা, ইফতারের আগে তাওবা-ইসতেগফার করা, ইফতারের সময় দোয়া পড়া এবং ইফতারের পর শোকরিয়া আদায় করে দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    রোজা খোলার নিয়ত

    রোজা রাখার নিয়ত

    বাংলায় অর্থ: হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ থেকে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

    বাংলায় নিয়ত: হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ’র ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার পক্ষ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

    ইফতারের দোয়া

    আরবি দোয়া’র বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা, ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

    বাংলায় অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

    ইফতারের বাংলা নিয়ত: হে আল্লাহ তায়ালা, আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার শুরু করছি। তারপর “বিসমিল্লাহি ওয়া’আলা বারাকাতিল্লাহ” বলে ইফতার করা।

  • তওবা নামাজের নিয়ত । তওবার নামাজ পড়ার নিয়মত

    তওবা নামাজের নিয়ত । তওবার নামাজ পড়ার নিয়মত

    তওবা নামাজের নিয়ত , তওবা করার একটি সুন্দর পদ্ধতি হলো নামাজ। গুনাহ হয়ে গেলে তওবার নিয়তে নামাজ পড়াকে তওবার নামাজ বলে। গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ নামাজ পড়া উচিত।

    গুনাহের পর তওবা করতে সময় ক্ষেপণ করলে অন্তর কঠিন হয়ে যায়। আর যাদের অন্তর কঠিন ও আল্লাহর ভয়শূন্য, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা হুঁশিয়ারি করেন, ‘দুর্ভোগ ওই লোকদের জন্য, যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণ থেকে কঠোর। তারা সুস্পষ্ট ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে।’

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    তওবার নামাজের নিয়ত

    তওবার নামাজের নিয়ত

    বাংলা নিয়ত

    আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুই রাকাত তওবার নামাজ আদায় করার নিয়ত করেছি আল্লাহু আকবার

    তওবার নামাজের নিয়ম

    তওবার নামাজের পদ্ধতি ওপরে উল্লেখিত হাদিসে স্পষ্ট বর্ণিত আছে। প্রথমে উত্তমরূপে অজু করতে হবে। তারপর একাগ্রচিত্তে নফল নামাজের মতো দুই রাকাত নামাজ পড়বে। তওবার নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সুরা নেই। তাই যেকোনো সুরা দিয়েই এই নামাজ পড়া যায়। এই নামাজের অজু ও নামাজের মাঝখানে কোনো দুনিয়াবি কাজ বা কথা না বলা উত্তম। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    তওবার নামাজের নিয়ত

    কারণ হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার মতো এভাবে অজু করবে, অতঃপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে এবং এর মাঝখানে দুনিয়ার কোনো খেয়াল করবে না, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি: ১৫৯)
    নামাজ শেষে আল্লাহর তাসবিহ পড়বে, আল্লাহর প্রশংসা করবে এবং ইস্তেগফার পড়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবে।

    আরও পড়ুন: তওবা কবুল হয় না যাদের

    তওবার দোয়া

    তওবার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো, সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার। এখানে সাইয়েদুল ইস্তেগফারের আরবি ইবারত উচ্চারণ ও অর্থসহ তুলে ধরা হলো— اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ ‘আল্লাহুম্মা আনতা রব্বি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খলাকতানি, ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা, Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    তওবার নামাজের নিয়ত

    ওয়া ওয়াদিক মাসতাতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু, আবু-উ লাকা বিনি মাতিকা আলাইয়া ওয়া আবু-উ বিজাম্বি ফাগফিরলি ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা। ’

    অর্থ, হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। আমি যথাসাধ্য আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকব। আমি আমার নিকৃষ্ট আমল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই,

    আপনার যে অসংখ্য নিয়ামত ভোগ করছি এ জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমি আমার কৃত অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনি ছাড়া অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নেই। (আবু দাউদ: ৫০৭০)

  • রোজার নিয়ত করা কি ফরজ ।  বিস্তারিত জানুন

    রোজার নিয়ত করা কি ফরজ ।  বিস্তারিত জানুন

    রোজার নিয়ত করা কি ফরজ, অনেকেই জানতে চান যে রোজার নিয়ত করা কি ফরজ? নাকি ওয়াজিব বা সুন্নাহ। একজন মুসলিম হিসেবে এই বিষয়টি জেনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্যপূর্ন। কেননা মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। তাই এই বেপারে সঠিক জ্ঞান থাকাটা আমাদের জন্য আবশ্যকীয়।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

     রোজার নিয়ত করা কি ফরজ

    রোজার নিয়ত করা কি ফরজ

    রোজার নিয়ত করা কি ফরজ। এর উত্তর হলো রোজা রাখার পূর্বে রোজার নিয়ত করা ফরজ। কেউ যদি রোজা রাখার জন্য রোজার নিয়ত না করে রোজা পালন করে তাহলে তার রোযা শুদ্ধ বা সঠিক হবে না।

    আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতিটি আমলের সওয়াব নিয়তের উপর নির্ভর করে প্রদান করে থাকে প্রতিটি কাজের জন্য নিয়ত সহি এবং সুন্দর হতে হয়।

    নিয়ত রোজার রোকন তথা শর্ত। আর ইবাদতের সওয়াবও নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। হাদিস শরিফে আছে, ‘সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। ’ -সহিহ বোখারি । Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

     রোজার নিয়ত করা কি ফরজ

    সাহরীর খাবার পর রোজার নিয়ত করা কি ফরজ

    হ্যাঁ, সাহরীর খাবার পর রোজার নিয়ত করা ফরজ। সাহরীর খাবার পর এভাবেও রোজার নিয়ত করা যেতে পারে-

    – بِصَوْمِ غَدٍا نَوَيْتُ مِنْ شَهْرِ رَمَضَان

    উচ্চারণ : বিসাওমি গাদিন নাওয়াইতু মিন শাহরি রামাদান।

    অর্থ : আমি রমজান মাসের আগামীকালের রোজা রাখার নিয়ত করছি।

    নিয়ত আরবি শব্দ। এর বাংলা অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা বা সঙ্কল্প করা। নিয়ত শব্দটি বাংলা ভাষায়ও ব্যাপকভাবে প্রচলিত। হরহামেশাই আমরা বলি- এই নিয়ত করেছি বা ওই বিষয়ে আমার নিয়ত একদম পাক্কা।
    পরিভাষায় কোনো আমল-ইবাদত বা কোনো কাজ সম্পাদন করার ইচ্ছা বা সঙ্কল্পকেই নিয়ত বলা হয়। ইসলামী শরিয়তে নিয়তের গুরুত্ব অপরিসীম। কোনো ব্যক্তির আমল আল্লাহ মহানের কাছে ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রহণীয় হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত তার নিয়ত সঠিক হয় না। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

     রোজার নিয়ত করা কি ফরজ

    রাসূল (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তির আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যা সে নিয়ত করবে। (বুখারি) রমজানের রোজা রাখার জন্য নিয়ত করা ফরজ। নিয়ত না করলে রোজা শুদ্ধ হবে না। এ ছাড়া ইবাদতের সওয়াবও নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।

    সুতরাং পবিত্র রমজানের রোজা রাখার ক্ষেত্রে নিয়ত একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রশ্ন হলো- রোজা রাখার জন্য অন্তরে অন্তরে সঙ্কল্প করলেই কি নিয়ত হবে, নাকি মুখে আরবি বা অন্য কোনো ভাষার বাক্য উচ্চারণ করে নিয়ত করতে হবে?

    এ ব্যাপারে মোটামুটিভাবে সব ফিকাহবিদ ও ইসলামী স্কলার একমত, রমজানের রোজা পালনের ক্ষেত্রে মুখে উচ্চারণ করে আরবি বা অন্য কোনো ভাষায় নিয়তবাক্য পাঠ করতে হবে না। মনে মনে বা অন্তরে ইচ্ছা পোষণ করা বা সঙ্ককল্প লালন করাই নিয়ত হিসেবে পরিগণিত হবে।

    এ বিষয়ে আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম (রহ.) বলেছেন, নিয়ত হচ্ছে কোনো কিছুর ইচ্ছা বা সঙ্কল্প। নিয়তের স্থান হচ্ছে অন্তর; জবান বা মুখের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। রাত বাকি থাকতে থাকতেই ফরজ রোজার নিয়ত করা উত্তম।

  • শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে । বিস্তারিত জেনে নিন

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে । বিস্তারিত জেনে নিন

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে, আজকের এই পোস্টে আমরা পরিপূর্ণভাবে তুলে ধরেছি কোন নিয়ত এর মাধ্যমে শবে বরাতের নামাজ শুরু করবেন। বাংলাদেশ চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা করেছে 2023 সালের শবে বরাত অনুষ্ঠিত হবে ৭ মার্চ রোজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ৮ মার্চ। তাই বাংলাদেশের শবে বরাতের ছুটি হিসেবে হাজার ৮ মার্চ কে নির্ধারণ করা হয়েছে। আজকের পোস্ট থেকে শবে বরাতের নামাজের নিয়ত বাংলা ও আরবি জেনে নিন।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে

    পবিত্র কোরআন মাজিদের ভাষা হচ্ছে আরবি। অনেক মুসল্লিগণ আরবি ভাষার গুরুত্ব জানেও বুঝে। এজন্য তারা আরবি ভাষাতে নামাজের নিয়ত করে থাকে। ঠিক তেমনি পবিত্র শবে বরাতের নামাজের নিয়ত আরবি ভাষায় করা উত্তম।

    আপনি যদি আরবি ভাষা জেনে থাকেন তাহলে আরবীতেই এই নামাজের নিয়ত করতে পারেন। পবিত্র শবে বরাতের নামাজের নিয়ত আরবিতে পেতে হলে নিচের অংশ থেকে সংগ্রহ করুন।

    আরবিঃ নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তাআ-লা- রাকআতাই ছালা-তি লাইলাতিল বারা-তিন্ -নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে

    শবে বরাতের নামাজের নিয়ত বাংলা

    বাংলাদেশে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে থাকে। খুব অল্প সংখ্যক মানুষ আছেন যারা আরবি ভাষা ভালোভাবে জানেন বা বোঝেন। বা পবিত্র শবে বরাতের নামাজের জন্য অনেকেই বাংলা ভাষায় নিয়ত করে থাকে।

    তাই অনেকে ইন্টারনেটে শবে বরাতের নামাজের নিয়ত বাংলা ভাষায় খুঁজে থাকেন। এজন্য এখন আমি আপনার সাথে কিভাবে আপনি বাংলা ভাষায় শবে বরাতের নফল নামাজের নিয়ত করবেন তা শেয়ার করব।

    বাংলাঃ ‘শবে বরাতের দুই রাকাত নফল নামাজ/ সালাত কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর’। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    শবে বরাত নামাজের নিয়ত আরবিতে

    শবে বরাতের নামাজের নিয়ত কি

    আপনি যে কাজটি করতে যাচ্ছেন বা করবেন এরকম মনের ভিতর থেকে একটি ইচ্ছা পোষণ করাকেই নিয়ত বলা হয়ে থাকে। পবিত্র শবে বরাতের নামাজের ক্ষেত্রে আপনি আরবি অথবা বাংলা উভয় ভাষাতেই নিয়ত করতে পারবেন। বাংলায় নিয়ত করলে এই ভাবে করতে পারেনঃ “শব-ই-বরাতের দুই রাকাত নফল নামাজ/ সালাত কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর”।

    শবে বরাতের নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    যেকোনো ধরনের নামাজ অর্থাৎ নামাজটি সুন্নত হোক, নফল হোক বা ফরজ হোক আপনাকে সঠিক নিয়মে তা আদায় করতে হবে। নিয়ম মেনে নামাজ আদায় না করলে আপনার নামাজটি সঠিক হবে না। নামাজ শুরুর পূর্বে আপনাকে অবশ্যই নামাজের নিয়ত করতে হবে। আজকে পবিত্র শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত।

    অনেকেই ইন্টারনেটে তাই শবে বরাতের নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে তা তা জানতে চেয়েছে। আপনি প্রথমে অজু করে জায়নামাজে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবেন। তারপর আরবি অথবা বাংলা ভাষায় পবিত্র শবে বরাতের নফল নামাজের নিয়ত করবেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493