নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ , নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয় আসসালামুয়ালাইকুম পাঠক বৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হলো ফজরের নামাজের নিয়ত সম্পর্কে। নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি অন্যতম ইবাদত। আমরা সবাই জানি, নামাজ বেহেশতের চাবি।
হাদিসে পাকের মধ্যে আসছে প্রত্যেক কাজের বিনিময় তার নিয়তের উপর বর্তায় অর্থাৎ যার নিয়ত যেমন হবে তার প্রতিধান সেরকম দেয়া হবে, তাই আমাদের নিয়তকে শুদ্ধ করা দরকার। আজ আমরা নামাজ পড়ি অথছ আমরা নামাজের নিয়ত করি না যদিও নামাজের নিয়ত আরবীতে বলা জরুরি না । Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।
নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ
ফজরের ২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আক্বার।) Gazivai.com এ ৫০০ টাকা চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া ফজরের দুইরাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
ফজরের ২ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া ফজরের দুইরাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
বিশেয় দ্রষ্টব্যঃ ইমামতি করিতে-আনা ইমামুল্লিমান হাজারা ও মাইয়্যাফজুরু সহ মুতাওয়াজ্জিহান বলতে হবে আর ইমামের পিছনে নামাজ পড়িতে হলে বলতে হবে(এক্তাদাইতু বিহা-যাল ইমামি মুতা ওয়াজ্জিহান…) Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনইব্রাকিনুন

জোহরের নামাজ
জোহরের মোট ১২ রাকাত। সূর্য মাথার উপর হইতে পশ্চিম্ দিকে একটু হেলিয়া পড়িলেই জোহরের নামাযের ওয়াক্ত আরম্ভ হয় এবং কোন কিছুর ছায়া দ্বিগুণ হইলে জোহরের ওয়াক্ত শেষ হইয়া যায়।
জোহরের ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। )
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
জোহরের ৪ রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি ফারজুল্লাহি তাআলঅ মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
জোহরের ২ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতাই সালাতিজ জোহরি সুন্নাতি রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
জোহরের ২ রাকায়াত নফল নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল নাফলি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া জোহরের দুই রাকাত নফল নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
আছর নামাজ
আছরের নামায মোট ৮ রাকাত। কোন লাকড়ির ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার পর হইতে সূর্যাস্তের ১৫/২০ মিনিট পূর্বে পর্যন্ত আছরের নামাযের সময় থাকে।
আছরের চার রাকায়াত সুন্নাত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া আছরের চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
আছরের চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া আছরের চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
মাগরিবের নামাজ
মাগরিবে মোট ০৭ রাকায়াত। সূর্যাস্তের পর হইতে মাগরিবের নামাযের সময় হয় মাগরিবের ওয়াক্ত অতি অল্পকাল স্থায়ী।
মাগরিবের ৩ রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকয়াতি সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
মাগরিবের ২ রাকায়াত সুন্নাত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
উক্ত দুই রাকায়াত সুন্নত নামায শেষ হইলে দুই রাকয়াত নফল নামাজ পরিবেন।
এশার নামাজ
এশার ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার চার রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
এশার চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার চার রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
এশার দুই রাকায়াত সুন্নাত নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতি সালাতিল এশায়ি সুন্নাতু রাসুূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
অথবাঃ আমি কিবলা দিক ফিরিয়া এশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।
তিন রাকায়াত বেতের নামাজের নিয়ত
বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকায়াতি সালাতিল বিতরি ওয়াজিবুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়
নিয়ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ইবাদাত বিশুদ্ধ ও কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন,عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى المِنْبَرِ
قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّات(صحيح البخارى، رقم-1)
নিশ্চয় সমস্ত আমল বিশুদ্ধ হওয়া না হওয়া নিয়তের নির্ভরশীল।
মূলত নিয়ত অন্তরে ইচ্ছাপোষণের নাম। কোন ইবাদত করার আগে অন্তরে ইচ্ছাপোষণ করাই যথেষ্ট। মুখে উচ্চারণ আবশ্যক/জরুরী নয়।
এ ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের ঐক্যমত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
وَقَدْ أَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى أَنَّهُ لَوْ نَوَى بِقَلْبِهِ وَلَمْ يَتَكَلَّمْ فَإِنَّهُ يَجُوزُ كَمَا حَكَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ
তবে মুখে উচ্চারণ করতে হবে কিনা বা উচ্চারণ করা যাবে কিনা? এনিয়ে দুটো প্রান্তিক অবস্থান লক্ষণীয়।
কেউ কেউ মুখে উচ্চারণ করাটাকে এতটাই জরুরী মনে করেন যে,মাঝে মাঝে তাকবীরে উলা ও রাকাত ছুটে গেলেও তারা এটা করতেই থাকেন। কেউ কেউ তো মুখে উচ্চারণ করা জরুরী মনে করেন! না করলে নামাজই হবেনা এমন ধারনাও পোষণ করেন। এমন কাজ ও ধারণা কোনভাবেই ঠিক না। পরিত্যাজ্য।
অপরদিকে বিরুদ্ধবাদীদেরও একটি প্রান্তিক অবস্থান দেখা যায়। তা
