কৃত্রিম প্রজনন সুবিধা ও অসুবিধা

৳ 750.00

>> সারাদেশে ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৫০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা ?

>>কিনতে নিচের ডান পাশে Buy nuy 👇 বাটনে ক্লিক করে অর্ডার করুন ?

Description

কৃত্রিম প্রজনন সুবিধা ও অসুবিধা কৃত্রিম প্রজনন (Artificial Insemination) হলো উন্নত জাতের পুরুষ প্রাণীর শুক্রাণু সংগ্রহ করে তা কৃত্রিম উপায়ে স্ত্রী প্রাণীর প্রজননতন্ত্রে স্থাপন করার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে খামারিরা অল্প খরচে ও সময়ে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসহ দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারেন।

কৃত্রিম প্রজনন সুবিধা ও অসুবিধা

কৃত্রিম প্রজননের প্রধান সুবিধা ও অসুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
সুবিধাসমূহ:
উন্নত জাতের প্রসার: একটিমাত্র উন্নত ষাঁড়ের শুক্রাণু ব্যবহার করে শত শত গাভীর প্রজনন করানো সম্ভব। ফলে দ্রুত উন্নত জাতের বাছুর পাওয়া যায়।
যৌন রোগ প্রতিরোধ: প্রাকৃতিক প্রজননের মাধ্যমে অনেক সময় মারাত্মক যৌন রোগ (যেমন- ব্রুসেলোসিস) ছড়ায়, যা কৃত্রিম প্রজননে সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সম্ভব।
খরচ সাশ্রয়ী: খামারে বা বাড়িতে আলাদাভাবে বড় ও শক্তিশালী ষাঁড় পালন করার প্রয়োজন হয় না, যা খাদ্যের ও পরিচর্যার খরচ বাঁচায়।
শুক্রাণু সংরক্ষণ: দেশ-বিদেশের এমনকি অনেক দূরের সেরা জাতের ষাঁড়ের শুক্রাণুও তরল নাইট্রোজেনে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়।
অসুবিধাসমূহ:
দক্ষতার অভাব: গাভী বা পশুর সঠিক গরম হওয়ার (ডাকে আসার) সময় নির্ধারণ এবং প্রজনন কার্য পরিচালনার জন্য অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানের প্রয়োজন হয়।
গর্ভধারণের হার কম: প্রাকৃতিক প্রজননের তুলনায় কৃত্রিম প্রজননে গর্ভধারণের হার তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম হতে পারে।
বংশগত ত্রুটি ছড়ানো: যদি কোনো নির্বাচিত ষাঁড়ের শুক্রাণুতে জিনগত কোনো ত্রুটি থাকে, তবে অল্প সময়ে তা অনেক প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সরঞ্জাম ও বিদ্যুৎ নির্ভরতা: হিমায়িত শুক্রাণু সংরক্ষণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও তরল নাইট্রোজেনের মতো ব্যয়বহুল সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়।