Description
পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম কেগেল ব্যায়াম করার ধাপগুলো সহজভাবে দেওয়া হলো:
পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম
১. পেলভিক ফ্লোর পেশী শনাক্ত করুন
প্রথমে, আপনার পেলভিক ফ্লোর পেশী কোথায় আছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। এটি সেই পেশী যা প্রস্রাব বা মলত্যাগের সময় আপনি ব্যবহার করেন।
২. পেশী সংকোচন ও শিথিলকরণ
আপনার পেলভিক ফ্লোর পেশীগুলো ৩ সেকেন্ডের জন্য শক্ত করুন।
এরপর, ৩ সেকেন্ডের জন্য শিথিল করুন।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি একবার কেগেল বলে গণ্য হবে।
৩. সেটের সংখ্যা
এই কাজটি ১০ বার পুনরাবৃত্তি করুন।
এই ১০ বার করাকে একটি সেট বলা হয়।
৪. প্রতিদিনের অভ্যাস
প্রতিদিন সকালে একবার এবং রাতে একবার করে একটি করে সেট করুন।
৫. শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে
যখন আপনি আরও শক্তিশালী অনুভব করবেন, তখন পেশী সংকোচন এবং শিথিল করার সময় বাড়ান। প্রথমে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর শিথিল করুন।
পুরুষদের পেলভিক ফ্লোর পেশি শক্তিশালী করার জন্য কেগেল ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকরী। এটি মূত্রনালীর নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে এবং যৌন স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে। নিচে কেগেল ব্যায়াম করার সঠিক নিয়মগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. সঠিক পেশি শনাক্ত করা
ব্যায়াম শুরু করার আগে আপনার পেলভিক ফ্লোর পেশি কোনটি তা খুঁজে বের করা জরুরি। এটি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো:
মূত্রত্যাগ করার সময় প্রস্রাব থামানোর চেষ্টা করুন। যে পেশিগুলো ব্যবহার করে আপনি প্রস্রাব আটকে দিচ্ছেন, সেগুলোই আপনার পেলভিক ফ্লোর পেশি।
সতর্কতা: শুধুমাত্র পেশি শনাক্ত করার জন্য এটি করবেন। নিয়মিত প্রস্রাব আটকে রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
২. ব্যায়ামের পদ্ধতি
অবস্থান: প্রথমে শুয়ে বা বসে আরাম করে বসুন।
সংকোচন: আপনার পেলভিক ফ্লোর পেশিগুলো শক্তভাবে সংকুচিত করুন (যেমনটা প্রস্রাব থামানোর সময় করেন)।
স্থায়িত্ব: এই অবস্থায় ৩ থেকে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন। খেয়াল রাখবেন যেন পেটের, উরুর বা নিতম্বের পেশি শক্ত না হয়ে যায়। শুধু নিচের পেলভিক পেশিতে মনোযোগ দিন।
শিথিলকরণ: ৩-৫ সেকেন্ড পর পেশিগুলো পুরোপুরি শিথিল করে দিন। আবার ৩-৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।
পুনরাবৃত্তি: এভাবে ১০-১৫ বার সংকোচন ও শিথিলকরণের প্রক্রিয়াটি করুন। এটি একটি সেট। দিনে অন্তত ৩-৪টি সেট করার চেষ্টা করুন।
৩. গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ম
শ্বাস-প্রশ্বাস: ব্যায়াম করার সময় দম আটকে রাখবেন না। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালিয়ে যান।
ধৈর্য: কেগেল ব্যায়ামের ফলাফল পেতে কিছুটা সময় লাগে। সাধারণত কয়েক সপ্তাহ বা মাস নিয়মিত করার পরই আপনি উন্নতি লক্ষ্য করতে পারবেন।
নিয়মিত অভ্যাস: এটি এমন একটি ব্যায়াম যা যেকোনো সময় করা যায় (যেমন- অফিসে বসে বা শুয়ে)। তাই একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে নিন।
৪. ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন
ব্যায়ামের সময় পেটের পেশিতে চাপ দেবেন না।
প্রতিদিন অতিরিক্ত ব্যায়াম করে পেশিকে ক্লান্ত করবেন না।
টয়লেটে থাকা অবস্থায় প্রস্রাব আটকানোর অভ্যাস হিসেবে এটি করবেন না।
বিশেষ পরামর্শ:
যদি এই ব্যায়াম করার পরেও আপনার প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা থাকে বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা অনুভব করেন, তবে দেরি না করে একজন ইউরোলজিস্ট বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
বিজ্ঞাপনে থাকা পণ্যটি আপনি কিনতে চাইলে সরাসরি কল করুন: 017513558525 অথবা 01751358526। আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে এবং নিজেকে ফিট রাখতে নিয়মিত এই ব্যায়ামটি অনুসরণ করুন। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এইখানে www.janbobd24.com। অর্ডার করতে ক্লিক করুন www.gazivai.com। বিজ্ঞাপনে থাকা পণ্যটি আপনি কিনতে চাইলে সরাসরি কল করুন: 017513558525 অথবা 01751358526।













