Tag: বিড়ালের নখের আঁচড়

  • বিড়ালের নখের আঁচড়ে কি সমস্যা হয়

    বিড়ালের নখের আঁচড় বা কামড়কে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বিড়াল দেখতে যতই গৃহপালিত বা শান্ত হোক না কেন, তার নখ এবং লালা বা থুতুতে কিছু জীবাণু থাকে, যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    বিড়ালের নখের আঁচড়ে সাধারণত প্রধান যে সমস্যাগুলো হতে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো:


    আমাদের থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে ভিজিট করুন  gazivai.com   ওয়েবসাইটে অথবা সরাসরি কিনতে ফোন করুন 01751358525 এই নাম্বারে

    ১. ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ (Cat Scratch Disease – CSD)

    এটি বিড়ালের আঁচড় থেকে হওয়া সবচেয়ে সাধারণ রোগ। এটি Bartonella henselae নামক এক ধরণের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। বিড়াল যখন নিজের শরীর চুলকায় বা চাটে, তখন এই ব্যাকটেরিয়া তার নখে চলে আসে।

    • লক্ষণ: আঁচড়ের স্থানটি লাল হয়ে ফুলে যাওয়া, ছোট ফুসকুড়ি বা পুঁজ হওয়া। এর সাথে কয়েকদিনের মধ্যে বগল, গলা বা কুঁচকির লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থি (রক্তের রোগ প্রতিরোধকারী গ্রন্থি) ফুলে শক্ত হয়ে যায় এবং তীব্র ব্যথা হতে পারে। এছাড়া হালকা জ্বর, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি দেখা দেয়।

    ২. জলাতঙ্ক বা রেবিস (Rabies) এর ঝুঁকি

    বিড়াল যদি রাস্তার বা বেওয়ারিশ হয় এবং তার শরীরে রেবিস ভাইরাস থাকে, তবে তার নখের আঁচড়ের মাধ্যমেও এই মারাত্মক রোগটি ছড়াতে পারে। বিড়াল সাধারণত নিজের নখ কামড়ায় বা চাটে, ফলে তার লালা নখে লেগে থাকে। ওই নখ দিয়ে আঁচড় দিলে ভাইরাস মানুষের রক্তে মিশে যেতে পারে। (তবে বিড়ালটি যদি ঘরের হয় এবং নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়া থাকে, তাহলে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থাকে না)।

    আপনি যদি পণ্যটি অর্ডার করতে চান অথবা এটি সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে চান তাহলে ফোন করুন এই নাম্বারে 01751358525,01751358526 (whatsapp)

    ৩. ধনুষ্টংকার বা টিটেনাস (Tetanus)

    বিড়াল যদি ঘরের বাইরে বা মাটিতে যাতায়াত করে, তবে তার নখে ধনুষ্টংকারের জীবাণু (Clostridium tetani) থাকতে পারে। নখের আঁচড়ে ত্বক কেটে বা ছিলে গেলে এই জীবাণু শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে মারাত্মক স্নায়ুবিক সমস্যা বা ধনুষ্টংকার

    তৈরি করতে পারে।

    ৪. সাধারণ ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন

    বিড়ালের নখে থাকা সাধারণ কিছু ব্যাকটেরিয়ার (যেমন: Staphylococcus বা Streptococcus) কারণে আঁচড়ের জায়গাটি সংক্রমিত বা ইনফেকশন হতে পারে। এতে আক্রান্ত স্থান ফুলে লাল হয়ে যায়, গরম হয়ে ওঠে, পুঁজ জমতে পারে এবং তীব্র ব্যথা হতে পারে।

    বিড়াল আঁচড় দিলে সাথে সাথে করণীয় (প্রাথমিক চিকিৎসা):

    ১. সাবান-পানি দিয়ে ধোয়া: আঁচড় লাগার সাথে সাথে জায়গাটি রানিং ওয়াটার বা কলের পানির নিচে ধরে ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট খুব ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এতে বেশিরভাগ জীবাণু ধুয়ে চলে যায়।

    ২. অ্যান্টিসেপটিক লাগানো: ধোয়ার পর জায়গাটি শুকিয়ে সেখানে ডেটল, স্যাভলন বা কোনো অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম (যেমন: Neomycin বা Bacitracin) লাগিয়ে দিন।

    ৩. ভ্যাকসিন নেওয়া:

    • গত ৫ বছরের মধ্যে যদি আপনার টিটেনাস (Tetanus) ইনজেকশন নেওয়া না থাকে, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি টিটেনাস ইনজেকশন দিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
    • বিড়ালটি যদি রাস্তার হয় বা তাকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন দেওয়া না থাকে, তবে দেরি না করে দ্রুত সরকারি হাসপাতাল বা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক বা রেবিস (Anti-Rabies) ভ্যাকসিন শুরু করুন।

    সতর্কতা: আঁচড়ের পর যদি জায়গাটি অতিরিক্ত ফুলে যায়, পুঁজ বের হয়, আপনার তীব্র জ্বর আসে বা বগলের নিচে চাকা ফুলে ওঠে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করুন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493