সেকলো ২০ কি গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায় ? জানুন

৳ 1,299.00

>> সারাদেশে ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৫০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা ?

>>কিনতে নিচের ডান পাশে Buy nuy 👇 বাটনে ক্লিক করে অর্ডার করুন ?

Description

সেকলো ২০ কি গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায় ? হ্যা না কি না জানুন

হ্যাঁ, সেকলো ২০ (ওমিপ্রাজল) গর্ভাবস্থায় খাওয়া নিরাপদ। গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় চিকিৎসকরা সাধারণত এটি প্রেসক্রাইব করে থাকেন। ]

তবে গর্ভাবস্থায় কোনো ওষুধই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা উচিত নয়। সেকলো ২০ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

সেবনের নিয়ম: সাধারণত সকালের নাস্তার ১ ঘণ্টা আগে খালি পেটে পানি দিয়ে গিলে খেতে হয়। চিবিয়ে বা ভেঙে খাওয়া যাবে না।

গর্ভের সন্তানের ওপর প্রভাব: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় ওমিপ্রাজল ব্যবহারে গর্ভস্থ শিশুর কোনো ক্ষতি বা অস্বাভাবিকতা হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সেকলো ২০ কি গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায়

গর্ভাবস্থায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে এবং হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে সাধারণ মানুষের চেয়ে সর্দি-কাশি, জ্বর, মাথাব্যথা বা সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা অনেক গুণ বেড়ে যায়। সাধারণ অবস্থায় এসব সমস্যার জন্য আমরা হরহামেশা যে ওষুধগুলো খেয়ে থাকি, এ অবস্থায় সেসব ওষুধ সেবনও ঝুঁকির কারণ হতে পারে। সুতরাং এ সময় সাধারণ সমস্যায় কী কী ওষুধ খেতে পারব আর কী কী খেতে পারব না, জানাটা অতি জরুরি।

সর্দি

গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ, নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যায়। সঙ্গে লবঙ্গ দিয়ে গরম পানি কুলকুচি উপকারী। এ ছাড়া শুধু গরম পানির অথবা মেন্থল দিয়ে গরম পানির ভাপও নেওয়া যেতে পারে।

কাশি

বাজারে যেসব কাশির সিরাপ পাওয়া যায় তা খাওয়া যাবে, কিন্তু গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে কোনো কাশির সিরাপ খাওয়া উচিত নয়।

মাথাব্যথা

এ সময় কোনো ব্যথার ওষুধ খাওয়া ঝুঁকির কারণ হতে পারে, তবে তীব্র ব্যথা হলে প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ খাওয়া যাবে।

বুক জ্বালাপোড়া

মাতৃত্বকালীন অবস্থায় সবচেয়ে সাধারণ যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা হলো, বুক জ্বালাপোড়া ও অ্যাসিডিটি। এ সমস্যার সমাধান হিসেবে ওষুধের চেয়ে যে জিনিসটি কাজে লাগে তা হলো, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। যেমন অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ঝাল, মসলা-জাতীয় খাবার ও বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ওষুধ হিসেবে তরল অথবা ট্যাবলেট আকারে বাজারে যে অ্যান্টাসিড পাওয়া যায়, তা খাওয়া যাবে। গ্যাসের অন্যান্য ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে খেতে হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য

খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কোষ্ঠকাঠিন্যর সমাধান হিসেবে বেশি বেশি শাকসবজি-জাতীয় খাবার খেতে হবে। প্রয়োজন হলে ইসবগুল এবং বাজারে যে সিরাপ পাওয়া যায়, তা খাওয়া যাবে। গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাস অথবা ১২ সপ্তাহ কোষ্ঠকাঠিন্যের ব্যাপারে সচেতন থাকা লাগবে। কারণ, কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য এ সময় গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কিছু অ্যান্টিবায়োটিক আছে, যা গর্ভপাতের কারণ, আবার কিছু অ্যান্টিবায়োটিক নবজাতক শিশুর জন্মত্রুটির কারণ হতে পারেছবি: প্রথম আলো

বমি বা বমি বমি ভাব

বমির ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। তবে যদি কিছু নিয়ম মানা যায়, তাহলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যেমন অল্প অল্প করে বারবার খেতে হবে এবং শুকনা খাবার খেতে হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার

যেহেতু গর্ভাবস্থায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই সংক্রমণের প্রবণতাও বেড়ে যায়। এ জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। কারণ, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক আছে, যা গর্ভপাতের কারণ, আবার কিছু অ্যান্টিবায়োটিক নবজাতক শিশুর জন্মত্রুটির কারণ হতে পারে। আর কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গর্ভাবস্থার একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খাওয়া যায় না, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর খাওয়া যায়। সুতরাং অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে সচেতন হতে হবে।

ঘুমের সমস্যা

গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে বেশির ভাগ মাকেই ঘুমের সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন করতে হবে। নিজে নিজে কোনো ঘুমের ওষুধ খাওয়া যাবে না।