Author: admin

  • নাফিস নামের অর্থ কি । নাফিস নামের ছেলেরা কেমন হয়

    নাফিস নামের অর্থ কি । নাফিস নামের ছেলেরা কেমন হয়

    নাফিস নামের অর্থ কি, বন্ধুগণ আপনারা প্রায় গুগলে বিভিন্ন নাম ও নামের অর্থ লিখে সার্চ করে থাকেন আপনাদের জানার সুবিধার্থে গাজি ভাই ডটকম নিয়ে এলো সব ধরনের নাম ও নামের অর্থ আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো নাফিস নামের অর্থ সম্পর্কে তো চলুন শুরু করা যাক।

    আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন ।তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের গাজী ভাই ডটকম এর মূল হোম পেজ এবং কিনতে পারেন দেশের সবচাইতে কম দামে যাবতীয় নৃত্য প্রয়োজনে প্রোডাক্ট।Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    নাফিস নামের অর্থ কি

    নাফিস নামের অর্থ কি

    অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম। মাহদী নামটি সাধারণত ছেলেদের নাম রাখা হয়।

    নাফিস নামের বাংলা অর্থ কি

    নাফিস নামের বাংলা অর্থ হল মূল্যবান। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে নাফিস নামের অন্য একটি অর্থ হলো অত্যন্ত পছন্দসই। “নাফিস”, সুন্দর এই নামের ব্যবহার বাংলাদেশে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে,

    শুধু বাংলাদেশেই নয় সম্প্রতি নাফিস নামটির ব্যবহার ভারতেও বাড়ছে। তাই আপনার কিংবা আত্মীয় স্বজনের সন্তানের নাম হিসেবে নাফিস অবশ্যই পছন্দ তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে আশা করাই যায়।Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    নাফিস নামের অর্থ কি

    নাফিস (Nafis) নাম রাখা যাবে কি

    হ্যা পাঠক, নাফিস নামটি অবশ্যই রাখা যাবে। নাফিস একটি ইসলামিক নাম, ধর্মীয় দৃষ্টিতেও নাফিস নামটি রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

    নাফিস দিয়ে কিছু ভালো নাম

    আশা করি নাফিস নামটি আপনার পছন্দ হয়েছে, তাই যদি আপনি আপনার শিশুর জন্য নাফিস (Nafis) নামটি রাখতে চান তাহলে নিচে সাজেশন লিস্টে পছন্দসই ভালো নামটি বেছে নিতে পারেন। Gazivai.com এ ২ পিস প্যান্টের বেল্ট মেশিন ৫৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    নাফিস নামের অর্থ কি

    নাহিয়ান নাফিস
    নাফিস ভুঁইয়া
    মাহিরাদ নাফিস
    রাকিব হাসান নাফিস
    নাফিস রাইয়ান
    আরিয়ান নাফিস
    নাফিস আরাফাত
    মুশফিকুর রহমান নাফিস
    নাফিস তালুকদার
    নাফিস হাসান নাফিস
    নাফিস আলম
    নাফিস বিন রাশেদ
    নাফিস মুনতাহার
    আবরার ইয়াসিন নাফিস
    তাহমিদ হাসান নাফিস
    তাশাহুদ আহমেদ নাফিস
    নাফিস মাহমুদ
    তরিকুল ইসলাম নাফিস
    ফাহিদুজ্জাম নাফিস
    নাফিস সালেহ
    নাফিস ইসলাম
    নাফিস খান
    নাফিস হক
    নাফিস আহমেদ
    নাফিস চৌধুরী
    নাফিস রাজিব
    নাফিস রাজু
    নাফিস কামাল
    নাফিস হোসেন
    মুনতাসীর নাফিস
    রিফাত ইসলাম নাফিস
    রাকিবুল ইসলাম নাফিস
    মোঃ নাফিস
    নাফিস শরীফ
    তওসিব আহমেদ নাফিস
    নাফিস আহমেদ রাজু
    নাফিস গাজী
    নাফিস আব্দুল্লাহ

    নাফিস নামের আরবি অর্থ কি

    নাফিস নামের আরবি অর্থ হলো অত্যন্ত পছন্দসই। আরবি সাহিত্য ঘাটলে হয়ত নাফিস (Nafis) নামটি বেশ কয়েকবার পাওয়া যাবে।

    নাফিস নামের ইসলামিক অর্থ কি

    নাফিস নামের ইসলামিক অর্থ মূল্যবান। এছাড়াও নাফিস নামের অন্যান্য অর্থের মধ্যে অত্যন্ত পছন্দসই কেউ বিবেচনায় আনা হয়। মানব জীবনের নাম ও নামের অর্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা রাখে সন্তান জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

    কেননা ইসলামের সন্তানের নাম রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়েছে হাদিসে এসেছে আল্লাহ তালা বলেছেন কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে তাই তোমরা তোমাদের নামগুলোকে সুন্দর অর্থবহ করে রাখো।

    নাফিস নামের ছেলেরা কেমন হয়

    প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ আমরা সব সময় বলে থাকি কোন নামের অর্থ দিয়ে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয় কারণ পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষকে আলাদা আলাদা করে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং প্রত্যেকে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী তাই নামের উপর নির্ভর করে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয়।

  • হামিদা নামের অর্থ কি । হামিদা নামের ইসলামিক অর্থ কি

    হামিদা নামের অর্থ কি । হামিদা নামের ইসলামিক অর্থ কি

    হামিদা নামের অর্থ কি, বন্ধুগণ আপনারা প্রায় গুগলে বিভিন্ন নাম ও নামের অর্থ লিখে সার্চ করে থাকেন আপনাদের জানার সুবিধার্থে গাজি ভাই ডটকম নিয়ে এলো সব ধরনের নাম ও নামের অর্থ আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো হামিদা নামের অর্থ সম্পর্কে তো চলুন শুরু করা যাক।

    আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন ।তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের গাজী ভাই ডটকম এর মূল হোম পেজ এবং কিনতে পারেন দেশের সবচাইতে কম দামে যাবতীয় নৃত্য প্রয়োজনে প্রোডাক্ট।Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    হামিদা নামের অর্থ কি

    হামিদা নামের অর্থ কি

    হামিদা নামের অর্থ হলো আল্লাহুর প্রতি কৃতজ্ঞ। হামিদা নামটি খুব সুন্দর এবং ভালো। বাংলাদেশে অনেক মেয়েদের নাম হামিদা রাখা হয়েছে। এবং হামিদা নামের মতোই হামিদা নামের অর্থ টাও খুব সুন্দর । নামটি বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম।

    হামিদা নামের বাংলা অর্থ কি

    হামিদা নামের বাংলা অর্থ হল আল্লাহুর প্রতি কৃতজ্ঞ । হামিদা সুন্দর এই নামের ব্যবহার বাংলাদেশে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, শুধু বাংলাদেশেই নয় সম্প্রতি হামিদা নামটির ব্যবহার ভারতেও বাড়ছে। তাই আপনার কিংবা আত্মীয় স্বজনের মেয়ে সন্তানের নাম হিসেবে হামিদা অবশ্যই পছন্দ তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে আশা করাই যায়।Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    হামিদা নামের অর্থ কি

    হামিদা দিয়ে কিছু ভালো নাম

    আশা করি হামিদা নামটি আপনার পছন্দ হয়েছে, তাই যদি আপনি আপনার শিশুর জন্য হামিদা নামটি রাখতে চান তাহলে নিচে সাজেশন লিস্টে পছন্দসই ভালো নামটি বেছে নিতে পারেন।

    হামিদা হক হামিদা মির্জা হামিদা মন্ডল হামিদা চৌধুরী হামিদা তালুকদার হামিদা আমিন হামিদা সাভা হামিদা ইসলাম নদী হামিদা ইসলাম মিম হামিদা ইসলাম সুমি হামিদা জাহান হামিদা বিনতে তাবাসসুম হামিদা আক্তার সুইটি হামিদা বিনতে তাহীয়া হামিদা রহমান হামিদা তাবাসসুম মিম হামিদা নওসিন হামিদা নামের আরবি অর্থ কি হামিদা নামের আরবি অর্থ হলো আল্লাহুর প্রতি কৃতজ্ঞ । আরবি সাহিত্য ঘাটলে হয়ত রোহানা নামটি বেশ কয়েকবার পাওয়া যাবে হয়ত।

    হামিদা নামের ইসলামিক অর্থ কি

    রোহানা নামের ইসলামিক অর্থ আল্লাহুর প্রতি কৃতজ্ঞ .। মানব জীবনের নাম ও নামের অর্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা রাখে সন্তান জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

    কেননা ইসলামের সন্তানের নাম রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়েছে হাদিসে এসেছে আল্লাহ তালা বলেছেন কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে তাই তোমরা তোমাদের নামগুলোকে সুন্দর অর্থবহ করে রাখো।

    হামিদা নামের মেয়েরা কেমন হয়

    প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ আমরা সব সময় বলে থাকি কোন নামের অর্থ দিয়ে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয় কারণ পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষকে আলাদা আলাদা করে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং প্রত্যেকে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী তাই নামের উপর নির্ভর করে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয়।

  • রোহানা নামের অর্থ কি । রোহানা দিয়ে কিছু ভালো নাম

    রোহানা নামের অর্থ কি । রোহানা দিয়ে কিছু ভালো নাম

    রোহানা নামের অর্থ কি, বন্ধুগণ আপনারা প্রায় গুগলে বিভিন্ন নাম ও নামের অর্থ লিখে সার্চ করে থাকেন আপনাদের জানার সুবিধার্থে গাজি ভাই ডটকম নিয়ে এলো সব ধরনের নাম ও নামের অর্থ আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো রোহানা নামের অর্থ সম্পর্কে তো চলুন শুরু করা যাক।

    আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন ।তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের গাজী ভাই ডটকম এর মূল হোম পেজ এবং কিনতে পারেন দেশের সবচাইতে কম দামে যাবতীয় নৃত্য প্রয়োজনে প্রোডাক্ট।Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    রোহানা নামের অর্থ কি

    রোহানা নামের অর্থ কি

    রোহানা নামের অর্থ সফল বা বিজয়ী নির্দিষ্ট করে. রোহানা নামটি বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম। রোহানা নামটি খুবই সুন্দর একটি নাম তাই আপনারা চাইলে এ নামটি আপনাদের কন্যা শিশুর জন্য রাখতে পারেন এ নামটির অর্থটি খুবই সুন্দর ।

    রোহানা নামের বাংলা অর্থ কি

    রোহানা নামের বাংলা অর্থ হল সফল বা বিজয়ী নির্দিষ্ট করে. “ রোহানা সুন্দর এই নামের ব্যবহার বাংলাদেশে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, শুধু বাংলাদেশেই নয় সম্প্রতি রোহানা নামটির ব্যবহার ভারতেও বাড়ছে। তাই আপনার কিংবা আত্মীয় স্বজনের মেয়ে সন্তানের নাম হিসেবে রোহানা অবশ্যই পছন্দ তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে আশা করাই যায়। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    রোহানা নামের অর্থ কি

    রোহানা দিয়ে কিছু ভালো নাম

    আশা করি রোহানা নামটি আপনার পছন্দ হয়েছে, তাই যদি আপনি আপনার শিশুর জন্য রোহানা নামটি রাখতে চান তাহলে নিচে সাজেশন লিস্টে পছন্দসই ভালো নামটি বেছে নিতে পারেন।

    রোহানা হক
    রোহানা মির্জা
    রোহানা মন্ডল
    রোহানা চৌধুরী
    রোহানা তালুকদার
    রোহানা আমিন
    রোহানা সাভা
    রোহানা ইসলাম নদী
    রোহানা ইসলাম মিম
    রোহানা ইসলাম সুমি
    রোহানা জাহান
    রোহানা বিনতে তাবাসসুম
    রোহানা আক্তার সুইটি
    রোহানা বিনতে তাহীয়া
    রোহানা রহমান
    রোহানা তাবাসসুম মিম
    রোহানা নওসিন

    রোহানা নামের আরবি অর্থ কি

    রোহানা নামের আরবি অর্থ হলো সফল বা বিজয়ী নির্দিষ্ট করে. । আরবি সাহিত্য ঘাটলে হয়ত রোহানা নামটি বেশ কয়েকবার পাওয়া যাবে হয়ত।Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    রোহানা নামের অর্থ কি

    রোহানা নামের ইসলামিক অর্থ কি

    রোহানা নামের ইসলামিক অর্থ সফল বা বিজয়ী নির্দিষ্ট করে.। মানব জীবনের নাম ও নামের অর্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা রাখে সন্তান জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

    কেননা ইসলামের সন্তানের নাম রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়েছে হাদিসে এসেছে আল্লাহ তালা বলেছেন কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে তাই তোমরা তোমাদের নামগুলোকে সুন্দর অর্থবহ করে রাখো।

    রোহানা নামের মেয়েরা কেমন হয়

    প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ আমরা সব সময় বলে থাকি কোন নামের অর্থ দিয়ে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয় কারণ পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষকে আলাদা আলাদা করে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং প্রত্যেকে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী তাই নামের উপর নির্ভর করে কোন মানুষকে যাচাই করা উচিত নয়।

  • তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত । তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত । তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত , তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত , তাহিয়্যাতুল অজু। দুই রাকাত অভিবাদনের নামাজ। অভিবাদন বলতে— অজুকে অভিবাদন জানানো। দেখা-সাক্ষাতে মানুষ যেমন অন্যকে অভিবাদন জানায়, তেমনি অজু-মসজিদকে অভিবাদন জানানো হয়। অভিবাদন জানানো ইসলামের সৌন্দর্য।

    মুমিনরা সালাম-মুসাফাহার মাধ্যমে অভিবাদন জানিয়ে থাকে। আর মসজিদকে অভিবাদন জানানো হয়, আমলের মাধ্যমে। আর আমলটি হলো- দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজ।

    স্বাভাবিকতই আমরা পবিত্রতার জন্য অজু করি। এই অজুরও অভিবাদনের সুন্দর পদ্ধতি রয়েছে। নবীজি (সা.) আমাদের তা শিখিয়েছেন। এটি তার সুন্নত। তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজের মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

    বাংলা নিয়তঃ”আমি দুই রাকাআত তাহিয়্যাতুল অজু’ নামাজ আদায় করছি।

    তাহিয়াতুল নামাজ পড়ার নিয়ম

    সাধারণ সুন্নাত ও নফল নামাজের ন্যায় যেকোন সূরা-কিরাত দ্বারা ‘ তাহিয়্যাতুল অজু’ আদায় করা যায়। উভয় রাকাআতেই সূরা ফাতিহার পর অন্য সূরা মিলাতে হবে এবং আখেরী বৈঠক আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ শরীফ ও দোয়ায়ে মাছূরা সব পড়ে সালাম ফিরাতে হবে।অজুর পর দুই রাকাআত নামাজ পড়লে জান্নাত ওয়াজিব। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

    তাহিয়্যাতুল ওজুর নামাজওজু করার পর দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া এ সম্পর্কে হযরত ওকবা ইবনে আমের জুহানী (রাজি.) থেকে বর্ণিত আছে নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ওজু করার পর একাগ্রতা ও আল্লাহর দিকে মনকে ধাবিত করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাত ওয়াজীব করে দেবেন। (নাসায়ী শরীফ, ১ম খ-, ৩৬ পৃষ্ঠা)।

    এই নামাজের সময়নামাজের নিষিদ্ধ সময় ছাড়া যে কোনো সময় ওজু করার পর এ নামাজ পড়া যায়। অর্থাৎ তিন সময় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। (১) সূর্য উদয়ের সময়, (২) ঠিক দুপুরে, (৩) সূর্য ডুবার সময়। (তিরমিযী শরীফ, ২য় খ-, ৩৪১ পৃষ্ঠা) । Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

    তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত

    তাহিয়্যাতুল অজুতে শুধু শুধু গুনাহই মাফ হয় না। বরং মান-মর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। একদিন ফজরের নামাজের সময় বেলাল (রা.)-কে নবী (সা.) বললেন, ‘বেলাল! আমাকে বলো দেখি, ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর থেকে তোমার কোন্ আমলটি তোমার কাছে (সওয়াবের আশার দিক থেকে) সবচেয়ে উত্তম বলে মনে হয়? কারণ, আমি জান্নাতে আমার সামনে সামনে তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি।’

    তখন বেলাল (রা.) বললেন, ‘তেমন কোনো আমল আমার নেই; যার দ্বারা আমি (বিপুল সওয়াবের) আশা করতে পারি। তবে দিনরাতের যখনই আমি অজু করি; তখনই সেই অজুর মাধ্যমে যে কয় রাকাত সম্ভব হয়, আমি নামাজ আদায় করি।’ (বুখারি, হাদিস : ১১৪৯; মুসলিম, হাদিস : ২৪৫৮)

    ফরজ ইবাদত পালনের পাশাপাশি নফল ইবাদতও করা চাই। তাই এই আমলেও যত্ন নেওয়া উত্তম। আল্লাহ তাআলা গুনাহ মাফের পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুন্নতও আদায় হবে।

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • নিয়ত কি । নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নিয়ত কি । নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নিয়ত কি , নিয়ত কিভাবে করতে হয় , রমজানের রোজা ফরজ। হিজরতের দেড় বছর পর স্বয়ং আল্লাহ তাআলা রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমারদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে- যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)

    রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। বিপুল সওয়াব ও অনুকম্পায় ঋদ্ধ করে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে আল্লাহ তাআলা তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯০১; তিরমিজি, হাদিস : ৬৮৩)

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    নিয়ত কি

    নিয়ত কি

    নিয়ত (আরবি: نية‎‎ নিইয়াহ্‌ [ˈnij. jah], অর্থ: “উদ্দেশ্য”) হলো একটি ইসলামি ধারণা যেখানে একজন ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোনো ইবাদত করার আগে ইচ্ছাপ্রকাশ করেন।

    ইমাম নববির চল্লিশ হাদিসের হাদিস নং ১ নিয়ে ইবনে রজব আল হাম্বলী বলেন, যেকোনো ইবাদত শুধুমাত্র এটির উদ্দেশ্য অনুসারে বিচার করা হয়: উমর ইবনুল খাত্তাব বর্ণনা করেন যে মুহাম্মাদ (সা) বলেছেন, একজন ব্যক্তির কেবল তাঁর ইচ্ছা (নিয়ত) অনুসারে [পুরস্কৃত] হন। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    নিয়ত কি

    নিয়ত কিভাবে করতে হয়

    নিয়ত শব্দের অর্থ হল, ইচ্ছা করা বা মনস্থীর করা।
    আর পারিভাষিকভাবে নিয়তের ব্যাপারে ইমাম নওবী রহ. বলেন, কোন কাজের দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করাকে নিয়ত বলা হয়। (ফাইযুল কাদীর, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা নং- ৩০)
    নিয়ত করতে হবে মনে মনে। অর্থাৎ কোন ইবাদতটি করব তা মনে মনে স্থীর করতে হবে।
    মুখে উচ্চারণ করার প্রয়োজন নাই।

    অন্তরের দৃঢ় সংকল্প ও ইচ্ছা করার নামই হলো নিয়ত। একজন বিবেকবান, সুস্থ মস্তিষ্ক, বাধ্য করা হয়নি- এমন লোক কোনো কাজ করবে আর সেখানে তার কোনো নিয়ত বা ইচ্ছা থাকবে না সেটা সম্ভব নয়। নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, সুতরাং নামাজের পূর্বে নিয়ত করা প্রয়োজন। নিয়ত হলো অন্তরের সাথে দৃঢ় সংকল্প, শব্দের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। Gazivai.com এ ফর্সা হওয়ার ক্রিম ও বডি লোশন কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    নিয়ত কি

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে নিয়ত কি এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে নিয়ত কিভাবে করতে হয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ । নফল রোজার নিয়ত

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ । নফল রোজার নিয়ত

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ , নফল রোজার নিয়ত , রমজানের রোজা ফরজ। হিজরতের দেড় বছর পর স্বয়ং আল্লাহ তাআলা রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমারদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে- যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)

    রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। বিপুল সওয়াব ও অনুকম্পায় ঋদ্ধ করে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে আল্লাহ তাআলা তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯০১; তিরমিজি, হাদিস : ৬৮৩)

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    রোজার নিয়তের বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম।

    নফল রোজার নিয়ত

    নফল রোজার নিয়ত আরবি যে কোন ভাবেই হতে পারে নিয়ত কথাটা অর্থই হচ্ছে ইচ্ছা পোষণ করা অর্থাৎ আপনার মনে মনে একটি বিষয় স্থির করলেন যে নেই আপনি একটি নফল রোজা পালন করবেন এতে আপনার নিয়ত হয়ে যাবে কারণ নিয়তের অর্থই হচ্ছে কঠিন কোন কাজ করার জন্য মনস্থির করা। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    নফল রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া বাংলা

    আমরা অনেকেই অনেক নফল ইবাদত করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আরেকটি নকল করা হচ্ছে সিয়াম পালন করা বা রোজা রাখা অনেকেই আমাদের মধ্যে জানতে চাই যে নফল রোজার জন্য নফল রোজার জন্য আলাদা কোন নিয়ত শেয়ার করার জন্য আলাদা কোন প্রয়োজন আছে কিনা প্রকৃতপক্ষে কথাটি প্রকৃত অর্থেই হচ্ছে,ইচ্ছা পোষণ করা হয় অর্থাৎ আপনি সিয়াম পালনের জন্য ইচ্ছে পোষণ করেছেন এটাই হচ্ছে নিয়ত আলাদাভাবে কোন নিয়ত করার প্রয়োজন নাই। স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক দেশি-বিদেশি বিখ্যাত বই কিনতে ক্লিক করুন – এখনি কিনুন 

    রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে রোজার নিয়ত বাংলা উচ্চারণ এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে নফল রোজার নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত , রোজা আল্লাহর প্রিয় ইবাদত। রোজা আল্লাহ তাআলার জন্য রাখা হয়; আর রোজার প্রতিদান আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দিবেন বা রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই বলে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন।

    রমজানরে ফরজ রোজা ছাড়াও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বিশেষ বিশেষ দিনে রোজা রেখেছেন এবং তাঁর উম্মতকে রোজা রাখতে বলেছেন। তাছাড়া মানুষের মান্নতের রোজা রাখাও আবশ্যক।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত

    হে আল্লাহ আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ করছি অতএব তুমি আমাকে কবুল করো নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার ফজিলত

    প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি সপ্তাহে ২দিন রোজা রাখতেন। আর তাহলো সোমবার ও বৃহস্পতিবারের দোয়া। এ রোজা পালন প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে-

    হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোজার প্রতি বেশি খেয়াল রাখতেন।’ (তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত
    • প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দু’দিন রোজা রাখার গুরুত্ব বর্ণনা করে ঘোষণা করেন-

    হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহ তাআলার দরবারে) আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমলসমূহ যেন রোজা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হয়; এটাই আমার পছন্দনীয়।’ (মিশকাত, তিরমিজি)

    অন্য বর্ণনায় এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একদিন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সোমবার ও বৃহস্পতিবারে তাঁর রোজা রাখা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন-

    ‘আল্লাহ তাআলা সোমবার ও বৃহস্পতিবার প্রত্যেক মুসলমানের গোনাহ ক্ষমা করেন। কিন্তু পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারীর ব্যাপারে (আল্লাহ বলেন), এদেরকে ছেড়ে দাও যতক্ষণ না এরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা স্থাপন করে।’ (ইবনে মাজাহ, তারগিব)

    রোজা যেহেতু আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। তাই ফরজ রোজা ছাড়াও প্রিয়নবি ঘোষিত বিশেষ বিশেষ দিনে রোজা পালন করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে এগিয়ে আসা জরুরি।

    আর সোম ও বৃহস্পতিবার যেহেতু বান্দার আমল আল্লাহর কাছে পৌছানো হয়; তাই সপ্তাহে এ দুইদিন প্রিয়নবির অনুসরণে রোজা পালণেও আল্লাহর কাছে সুন্দর বিনিময় পাওয়া সম্ভব।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রতি সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। সিয়াম-সাধনায় গোনাহ মুক্ত জীবন লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • নামাজের আরবি নিয়ত । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    নামাজের আরবি নিয়ত । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    নামাজের আরবি নিয়ত । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা , নিয়াত বা উদ্দেশ্য দুনিয়াবী কাজকর্মের ক্ষেত্রে এবং ইবাদতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী । আপনি কাল কি কাজ করবেন, কোথায় যাবেন, কি খাবেন, সমস্ত কিছুর একটি উদ্দেশ্য বা নিয়ত মনের মধ্যে থাকে। তেমনি ইবাদত এর ক্ষেত্রেও আপনি কোন ওয়াক্তের কোন নামাজ, কত রাকাত পড়বেন ওয়াজিব নামাজ নাকি ফরজ নামাজ, সুন্নত নামাজ নাকি নফল নামাজ তারও নিয়াত অবশ্যই থাকতে হবে ।

    নিয়ত দুই ভাবে করা যায়
    (১) অন্তরে বা মনে মনে নিয়াত ।
    যেমন উদাহরণস্বরূপ- আমি ২ রাকাত ফজরের ফরজ নামাজ আদায় করছি আল্লাহর জন্য মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার। মনে মনে এতটা ভাবলেই নিয়ত হয়ে যাবে ।
    (২) মুখে উচ্চারণ করে নিয়াত । যেমন আমরা করে থাকি । নিজের মাতৃভাষাতেই নিয়ত করতে পারেন কোন সমস্যা নেই তবে আরবীতে নিয়াত করা উত্তম । Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে । Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    ফজরের নামাজ ৪ রাকায়াত
    ২ রাকায়াত সুন্নাত ২ রাকায়াত ফরজ ।
    ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত নামাজের আরবি নিয়াত:-

    نويت ان اصلي لله تعالى ركعتى صلواة الفجر سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ :-
    “নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, সুন্নাতা রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি দুই রাকাত ফজরের সুন্নত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কাবা’ শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    ফজরের ২ রাকাত ফরজ নামাজের আরবি নিয়াত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى ركعتى صلواة الفجر فرض الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, ফারজাল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি দুই রাকাত ফজরের ফরজ নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কাবা’ শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    বিশেয় দ্রষ্টব্যঃ ইমাম হলে-(জামাতের যদি কেউ ইমাম হয়) তাহলে, মুতাওয়াজ্জিহান এর আগে “আনা ইমামুল্লিমান হাজারা ও মাইয়্যাফজুরু” বলবে, আর মুক্তাদী হলে মুতাওয়াজ্জিহান এর আগে “এক্তাদাইতু বিহা-যাল ইমাম’ বলবে ।

    আর একা নামাজ পড়লে বলার প্রয়োজন নেই । জামাতে নামাজ আদায় করার ক্ষেত্রে ইমাম ও মুক্তাদীকে এ বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে । Gazivai.com এ ২ পিস প্যান্টের বেল্ট মেশিন ৫৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা

    (২) জোহরের নামাজ
    জোহরের নাময মোট ১২ রাকাত।
    ৪ রাকায়াত সুন্নাত ৪ রাকায়াত ফরজ ২ রাকায়াত সুন্নাত ২ রাকায়াত নফল ।

    জোহরের ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের আরবি নিয়াত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى اربع ركعات صلواة الظهر سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- “নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জুহরি সুন্নাতা রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৪রাকায়াত জোহজের সুন্নাত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কাবা’ শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি দুই রাকাত জোহরের সুন্নাত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    দুই রাকাত নফল নামাজের আরবি নিয়াত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى ركعتى صلواة النفل متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিন নাফলি, মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি দুই রাকাত নফল নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    (৩) আছরের নামাজ

    আছরের নামায মোট ৮ রাকাত।

    আছরের চার রাকায়াত সুন্নাত নামাযের আরবি নিয়ত:-

    نويت ان اصلي لله تعالى اربع ركعات صلواة العصر سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- “নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিল আসরি সুন্নাতা রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৪ রাকায়াত আসরের সুন্নাত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    আসরের চার রাকায়াত সুন্নাত নামাজ কে সুন্নাতে গায়ের মোয়াক্কাদা বলা হয় । পড়লে নেকি পাওয়া যায় না পড়লে গুনাহ হয় না)

    আছরের চার রাকায়াত ফরজ নামাযের আরবি নিয়াত:-

    نويت ان اصلي لله تعالى اربع ركعات صلواة العصر فرض الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায়:- “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তায়ালা আরবায়া রাকয়াতি সালাতিল আসরি ফারজাল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৪ রাকায়াত আসরের ফরজ নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    (৪) মাগরিবের নামাজ
    মাগরিবের নামায মোট ৭ রাকায়াত ।
    ৩ রাকায়াত ফরয ২ রাকায়াত সুন্নাত এবং ২ রাকায়াত নফল ।

    মাগরিবের ৩ রাকায়াত ফরজ নামাযের আরবি নিয়াত-
    نويت ان اصلي لله تعالى ثلث ركعات صلواة المغرب فرض الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر

    বাংলায়:- “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকয়াতি সালাতিল মাগরিবি ফারজিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।”

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৩ রাকায়াত মাগরিবের ফরজ নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    মাগরিবের ২ রাকায়াত সুন্নাত নামাযের আরবি নিয়ত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى ركعتى صلواة المغرب سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر

    বাংলায় :- “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতা রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ২ রাকায়াত মাগরিবের সুন্নাত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    দুই রাকায়াত সুন্নত নামায শেষ হইলে দুই রাকয়াত নফল নামাজ পড়তে হবে ।

    (৫) ঈশার নামাজ
    ঈশার নামাজ মোট ১৭ রাকায়াত ।
    ৪ রাকায়াত সুন্নাত ৪ রাকায়াত ফরজ ২ রাকাত সুন্নাত ২ রাকায়াত নফল ৩ রাকায়াত বিতর ২ রাকায়াত নফল ।

    ঈশার ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের আরবি নিয়ত:-

    نويت ان اصلي لله تعالى اربع ركعات صلواة العشاء سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তায়ালা আরবায়া রাকয়াতি সালাতিল ঈশায়ি সুন্নাতা রাসুলিল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৪ রাকায়াত ঈশার সুন্নাত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    (ঈশার সরোজ এর পূর্বে ৪ রাকাত সুন্নাত নামাজ সুন্নাতে গাইর মুয়াক্কাদা, পড়লে নেকি পাওয়া যাবে না পড়লে গুনাহ হবে না,ঠিক যেমন নফল নামাজ পড়লে নেকি পাওয়া যায় না পড়লে গুনাহ হয় না)

    এশার চার রাকায়াত ফরজ নামাজের আরবি নিয়াত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى اربع ركعات صلواة العشاء فرض الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ:- “নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তায়ালা আরবায়া রাকয়াতি সালাতিল ঈশায়ি ফারজাল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার”।

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি ৪ রাকায়াত ঈশার ফরজ নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    ২ রাকায়াত ঈশার সুন্নাত নামাজের বার্বি নিয়াত:-
    نويت ان اصلي لله تعالى ركعتى صلواة العشاء سنة رسول الله تعالى متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
    বাংলায় উচ্চারণ :-
    “নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ঈশায়ি, সুন্নাতা রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    অর্থ/বাংলায় নিয়াত:-
    “আমি দুই রাকাত ঈশার সুন্নত নামাজের নিয়াত করছি আল্লাহ তা’আলার জন্য, মুখ আমার কা’বা শরিফের দিকে আল্লাহু আকবার” ।

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়াত আরবি ও বাংলা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • জুমার নামাজের নিয়ত আরবি । জুমার নামাজ মোট কত রাকাত

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি । জুমার নামাজ মোট কত রাকাত

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি , জুমার নামাজ মোট কত রাকাত, একজন মুসলিম হিসেবে নামাজ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য। জুম্মার নামাজ দিনের মুসলিম দের জন্য। জুমার দিন কে গরিবের হজের দিন বলা হয়. আজকে আমরা এই জুমার নামাজ নিয়ে আলোচনা করবো।

    এই পোস্টে আপনি যোহরের নামাজের নিয়ম, জুম্মার নামাজ পড়ার নিয়ম, জুমার নামাজ কত রাকাত ও কি কি , জুমার নামাজের নিয়ত, জুম্মার নামাজের সময় , জুমার নামাজের শেষে দুয়া এসব জানতে পারবেন।

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে । Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন 

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি

    জুমার নামাজের রাকাতের সংখ্যা

    • চার রাকাত কাবলাল জুমা,
    • দুই রাকাত ফরজ ও
    • চার রাকাত বাদাল জুমা।

    চার রাকাত কাবলাল জুমার নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি কাব্‌লাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে চার রাকায়াত কাবলাল জুমার সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি

    জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন্‌ উসকিতা আন্‌ জিম্মাতী ফারদুজ্জহ্‌রি, বি-আদায়ি রাকয়াতাই ছালাতিল্‌ জুমুয়াতি, ফারজুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমার উপর জুহরের ফরজ নামাজ আদায়ের যে দায়িত্ব রয়েছে, আমি কেবলামুখী হয়ে, জুমার দুই রাকায়াত ফরজ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তা পালনের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

    চার রাকাত বাদাল জুমার নিয়ত

    বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি বাদাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

    অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে চার রাকায়াত বাদাল জুমা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

    জুমার নামাজের নিয়ত আরবি

    জুমার নামাজ মোট কত রাকাত

    জুমার নামাজে দুই রাকাত ফরজ রয়েছে। এছাড়া ফরজ নামাজের পূর্বে চার রাকাত কাবলাল জুমা এবং পরে চার রাকাত বাদাল জুমা (সুন্নত নামাজ) আদায় করতে হয়। জোহরের নামাজের মতো ব্যক্তি চাইলে এসময় অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করতে পারে।

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে জুমার নামাজের নিয়ত আরবি এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে জুমার নামাজের নিয়ত আরবি এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

  • ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত । জেনে নিন

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত । জেনে নিন

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত , মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। ঈদ বছরে ঘুরে আসায় অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়ম, নিয়ত ও তাকবির ভুলে যান। ঈদুল ফিতরের নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার জন্য নিয়ম, নিয়ত ও তাকরিব তুলে ধরা হলো-

    ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে অর্থাৎ ৩০ রমজান ইফতারের পর প্রথম কাজই হচ্ছে তাকবির তথা আল্লাহর কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করা। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাকবির পড়া। এটিই ঈদের প্রথম কাজ। আল্লাহ তাআলা কোরআনে তাকবির পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-

    এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে । Gazivai.com এ ২ পিস প্যান্টের বেল্ট মেশিন ৫৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত

    নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম

    নিয়ত করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত তুলে তাহরিমা বাঁধতে হবে। এরপর ছানা পড়েন মুসল্লিরা- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।

    এরপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ উচ্চারণ করে তাকবির বলতে হয়। প্রথম দুই বার কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু তৃতীয়বার বলে হাত বেঁধে নেন সবাই। প্রতিটি তাকবিরের পর তিনবার সুবহানাল্লাহ বলা যায় এমন সময় থেমে থাকতে হয়।Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত

    তারপর আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতেহার পর একটি সূরা যুক্ত করেন ইমাম। এরপর স্বাভাবিক নামাজের মতোই রুকু ও সিজদা করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হয়। এবার বিসমিল্লাহ বলার পর সূরা ফাতেহা পড়ে আরেকটি সূরা মেলানো হবে।

    তারপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলার মাধ্যমে তিনটি তাকবির সম্পন্ন করতে হয়। এ সময় প্রতিটি তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে এবং চতুর্থবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত না বেঁধে রুকুতে চলে যাওয়া নিয়ম। এরপর সেজদা ও আখেরি বৈঠকের পর সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ হয়। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

    ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত

    ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ শেষে ইমাম মিম্বারে উঠে দুটি খুতবা দেন। ঈদের খুতবা শোনা ওয়াজিব। খুতবা শেষে সবাই মসজিদ থেকে বের হবেন

    আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে ঈদুল ফিতর নামাজের আরবি নিয়ত এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493