Description
ছেলেদের লিঙ্গ কত প্রকার ও কি কি গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে পুরুষাঙ্গ (পেনিস) প্রধানত ২ ভাগে বিভক্ত। এছাড়া চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণায় আকার অনুযায়ী এটি ৭ ধরনের হয়ে থাকে।
গঠন অনুযায়ী পেনিসের প্রকারভেদ:১. শো-আর (Show-er): এই ধরনের পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত হওয়ার আগে আকারে ছোট থাকে, তবে উত্তেজিত হলে তুলনামূলকভাবে অনেক বড় হয়ে যায়।২. গ্রো-আর (Grow-er): এই ধরনের পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত হওয়ার আগেও স্বাভাবিক আকারের থাকে এবং উত্তেজিত হলে এর আকার খুব সামান্য বৃদ্ধি পায়।আকার অনুযায়ী পেনিসের প্রকারভেদ:গবেষণায় আকৃতি ও গঠনভেদে পেনিসকে প্রধানত ৭টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
ছেলেদের লিঙ্গ কত প্রকার ও কি কি
যেমন:
১. পেন্সিল (Pencil): এটি লম্বায় বেশি কিন্তু তুলনামূলকভাবে সরু হয়।
২. পেপার (Paper): এটি লম্বায় ছোট হলেও বেশ মোটা হয়।
৩. কোন (Cone): এর উপরিভাগ বা মাথাটি শঙ্কু আকৃতির মতো সরু হয়।
৪. বানানা (Banana): এটি কলার মতো একটু বাঁকানো আকৃতির হয়ে থাকে।
৫. হ্যামার (Hammer): এর নিচের অংশের তুলনায় উপরিভাগ বা মাথাটি অনেকটাই মোটা থাকে।
৬. সসেজ (Sausage): এটি সবচেয়ে সাধারণ আকৃতি, যা সব দিক থেকেই মাঝারি বা আদর্শ মাপের হয়ে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পেনিসের বাহ্যিক আকারের চেয়ে সুস্থ রক্ত চলাচল ও স্বাভাবিক হরমোন লেভেল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক পেনিসের গড় খাড়া দৈর্ঘ্য ৪ থেকে ৫ ইঞ্চির মতো হয়ে থাকে।
পেনিস কত প্রকার ও কি কি যৌনতা ও যৌনাঙ্গ নিয়ে পৃথিবীতে সত্য, মিথ্যা, জল্পনা আর মিথের ছড়াছড়ি। নারী, পুরুষ নির্বিশেষে এই বিশ্বাস বহু সমস্যার জন্ম দেয়। তবে প্রকতৃ সত্য নিয়ে সঠিক তথ্যের অভাব থেকেই যায়।
পেনিস কত প্রকার ও কি কি
এমন সময়েই প্রায় ৬০০ জন পুরুষের উপর পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বে পুরুষ যৌনাঙ্গ বা পেনিসের ধরন নিয়ে গবেষণা করল ব্রিটেনের সংস্থা iMEDicare LTD।
সেই পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে সাত ধরনের পুরুষ যৌনাঙ্গ বা পেনিসের অস্তিত্বের কথা জানিয়েছে ওই সংস্থা। iMEDicare LTD-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যারেন ব্রিন জানান, ‘মূলত সাত আকৃতির পেনিস রয়েছে।’
কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৬০০ জন পুরুষের পেনিস পরীক্ষা করার পরই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে একইসঙ্গে এও জানানো হয়েছে, সাত ভিন্ন ধরনের পেনিসের মধ্যে তুলনা করা উচিত নয়। কারণ এক্ষেত্রে প্রতিটিই ভিন্ন ধরনের। অর্থাৎ, এখানে কোনও প্রতিযোগিতা নেই।
আরও মনে রাখা উচিত, যৌনাঙ্গের সাইজ বা আকারের সঙ্গে বিছানায় বেশিক্ষণ টিকে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
রিপোর্টে উল্লেখ্য আকার ও নাম কী কী?
১.পেন্সিল- তুলনায় লম্বা এবং সরু হবে।
২.পেপার- লম্বায় কম, তবে মোটা বেশি।
৩.কোন–শঙ্কু আকৃতির মতো উপরিভাগ সরু। এক্ষেত্রে ফোরস্কিন তুলনায় দৃঢ় হবে।
৪.বানানা–অনেকটা কলার (ফল) মতোই আকার। বাঁ বা ডানদিকে হালকা বাঁকানো। হালকা বাঁকানো থাকলে সুখবর! তবে বেশি বাঁকানো হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশনের আশঙ্কা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৫.হ্যামার—নিম্নভাগের তুলনায় উপরিভাগ আকারে অনেকটাই মোটা।
৬.সসেজ—সবচেয়ে বেশি যে ধরনের দেখা গেছে। সব বিচারেই সাধারণ মাপের।
৭.কিউক্যামবার—-নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে কী ধরনের! তবে গুরুত্বের বিচারে এটিও সসেজের মতোই। সাধারণ আকারের এবং অত্যাধিক দেখা যায়।
উল্লেখ্য, উপরের নামগুলি iMEDicare LTD-এর রিপোর্ট থেকে নেওয়া। কোনও ক্ষেত্রেই নাম পরিবর্তন করা হয়নি।
এই রিপোর্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা কী? নীচের কমেন্ট বক্সে প্রতিক্রিয়া জানান।













