হেঁচকি কিসের লক্ষণ । হেঁচকি কেন উঠে আর থামাবেন কীভাবে

৳ 750.00

>> সারাদেশে ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৫০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা ?

>>কিনতে নিচের ডান পাশে Buy nuy 👇 বাটনে ক্লিক করে অর্ডার করুন ?

Description

হেঁচকি কিসের লক্ষণ । হেঁচকি কেন উঠে আর থামাবেন কীভাবে

হেঁচকি বা হিক্কা (Hiccups) আমাদের সবারই পরিচিত একটি সমস্যা। হঠাৎ শুরু হয়ে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় এই হেঁচকি। কিন্তু কেন হয় হেঁচকি? এর পেছনে কি বড় কোনো শারীরিক অসুস্থতার সংকেত লুকিয়ে থাকে? আজকের বিস্তারিত আলোচনায় আমরা হেঁচকির কারণ, প্রতিকার এবং কখন এটি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তা নিয়ে বিস্তারিত জানবো।

বিজ্ঞাপনে থাকা পণ্যটি আপনি কিনতে চাইলে সরাসরি কল করুন: 01751358525 অথবা 01751358526

হেঁচকি কেন হয়?

সহজ কথায়, আমাদের বুকের খাঁচা ও পেটের মাঝখানের মাংসপেশি, যাকে ডায়াফ্রাম বলা হয়, সেটি যখন হঠাৎ কেঁপে ওঠে বা সংকুচিত হয়, তখন ভোকাল কর্ডের মধ্য দিয়ে বাতাস যাওয়ার সময় একটি শব্দ তৈরি হয়। একেই আমরা হেঁচকি বলি।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হেঁচকি নিজে থেকে চলে যায়। তবে এটি কেন হয়, তার কিছু সাধারণ কারণ নিচে দেওয়া হলো:

  • খুব দ্রুত খাবার খেলে।

  • অতিরিক্ত পরিমাণে পানীয় বা কার্বোনেটেড পানীয় পান করলে।

  • পেট অতিরিক্ত ভরে গেলে।

  • হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে।

  • অতিরিক্ত উত্তেজনায় বা মানসিক চাপে থাকলে।

হেঁচকি কি কোনো বড় রোগের লক্ষণ?

সাধারণত হেঁচকি সাময়িক এবং এতে ভয়ের কিছু নেই। তবে যদি কারো হেঁচকি ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়, তবে সেটিকে দীর্ঘস্থায়ী হেঁচকি বলা হয়। এটি কখনো কখনো নিম্নোক্ত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে:

১. নার্ভের সমস্যা: ভ্যাগাস নার্ভ বা ফ্রেনিক নার্ভে কোনো ধরনের অস্বস্তি বা আঘাত থাকলে দীর্ঘসময় হেঁচকি হতে পারে।

২. পাচনতন্ত্রের জটিলতা: গ্যাস্ট্রোইসোফিজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) বা আলসারের কারণে এমনটি হতে পারে।

৩. মেটাবলিক সমস্যা: শরীরে কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে বা ডায়াবেটিসের কারণে হেঁচকি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৪. ফুসফুসের সমস্যা: নিউমোনিয়া বা প্লুরিসির মতো সমস্যার কারণে ডায়াফ্রাম উদ্দীপিত হতে পারে।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এইখানে: www.janbobd24.com

বিজ্ঞাপনে থাকা পণ্যটি আপনি কিনতে চাইলে সরাসরি কল করুন: 01751358525 অথবা 01751358526

ঘরোয়া উপায়ে হেঁচকি বন্ধ করার উপায়

১. শ্বাস ধরে রাখা: গভীরভাবে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন।

২. ঠান্ডা পানি পান: এক গ্লাস ঠান্ডা পানি ধীরে ধীরে পান করুন।

৩. চিনি খাওয়া: এক চামচ চিনি জিভের নিচে রেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।

৪. বসে সামনে ঝোঁকা: হাঁটু বুকের কাছে এনে কিছুক্ষণ বসে থাকলে ডায়াফ্রামের ওপর চাপ পড়ে যা হেঁচকি থামাতে সাহায্য করে।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যদি হেঁচকি আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়, কথা বলতে বা ঘুমাতে সমস্যা হয়, তবে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এটি শরীরের কোনো অভ্যন্তরীণ সমস্যার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

বিজ্ঞাপনে থাকা পণ্যটি আপনি কিনতে চাইলে সরাসরি কল করুন: 01751358525 অথবা 01751358526

আমাদের আজকের এই পোস্টে যে আকর্ষণীয় পণ্যটির ছবি দেওয়া রয়েছে, তা আপনার দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। এটি যেমন আপনার প্রয়োজন মেটাবে, তেমনি সাশ্রয়ী মূল্যে সেরা মানের নিশ্চয়তা দিচ্ছে। দেরি না করে আজই নিজের পছন্দের পণ্যটি সংগ্রহ করুন।

অর্ডার করতে ক্লিক করুন এইখানে: www.gazivai.com

উপসংহার

হেঁচকি খুব সাধারণ একটি বিষয় হলেও অবহেলা করবেন না যদি তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। সঠিক সময়ে সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় কোনো শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে। আমাদের আজকের এই পণ্যটি আপনার স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে এবং নিত্যদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহায়ক হতে পারে। যারা কোয়ালিটি সম্পন্ন প্রোডাক্ট খুঁজছেন, তারা দেরি না করে আমাদের এই চমৎকার পণ্যটি সংগ্রহ করার জন্য দ্রুত অর্ডার করুন। আপনার সুস্বাস্থ্যই আমাদের কাম্য।

খাবার খাওয়ার সময়, গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের মধ্যে অথবা অবসর কাটানোর সময় হঠাৎ হেঁচকির প্রকোপ শুরু হওয়াটা খুব সাধারণ একটি বিষয়।

এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই যখন তখন মানুষের হেঁচকি শুরু হলে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারণেই মানুষের হেঁচকি আসে।

মানুষের হেঁচকি আসে কেন?
বিজ্ঞানীরা শত শত বছর ধরে আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিহীন এই শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন।

হেঁচকির সময় শ্বাসনালীতে সামান্য খিঁচুনির মত হয় যার ফলে শ্বাসযন্ত্রে দ্রুত বাতাস প্রবেশ করে। তখন ভোকাল কর্ড হঠাৎ বন্ধ হয়ে ‘হিক’ শব্দ তৈরি হয়।

ফুসফুসের নীচের পাতলা মাংসপেশীর স্তর, যেটিকে ডায়াফ্রাম বলে, হঠাৎ সংকোচনের ফলেই হেঁচকি তৈরি হয়।

হেঁচকি ওঠার একশো’র বেশি মেডিক্যাল কারণ থাকতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো খুবই সামান্য কারণেই হয়ে থাকে।

ওষুধ নির্মাতা সংস্থা অ্যাকমে’র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, “হেঁচকির সবচেয়ে সাধারণ কারণ দ্রুত খাবার গ্রহণ করা।”

দ্রুত খাওয়ার কারণে খাবারের সাথে সাথে পেটের ভেতর বাতাস প্রবেশ করার কারণে ‘ভ্যাগাস’ নার্ভের কার্যকলাপ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে হেঁচকি তৈরি হয়।

চেতনানাশক, উত্তেজনাবর্ধক, পার্কিনসন্স রোগ বা কেমোথেরাপির বিভিন্ন ধরণের ওষুধ নেয়ার ফলেও হেঁচকি তৈরি হতে পারে।

এছাড়া কিছু অসুখের ক্ষেত্রেও মানুষের হেঁচকি হতে পারে।

মিজ. আখতার বলেন, “কিডনি ফেল করলে, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস বা মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রেও অনেকের হেঁচকি তৈরি হতে পারে।”

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই হেঁচকি শুরু হওয়ার জন্য এসব কোনো কারণেরই দরকার হয় না।

হাসি বা কাশির মধ্যে, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিদ্রুত খাবার গ্রহণ করা বা ঝাঁঝসহ পানীয় বেশি পরিমাণে খেলে হেঁচকি শুরু হতে পারে, তবে কোনো ধরণের কারণ ছাড়াও হেঁচকি আসাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

হেঁচকি ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা এবং সাধারণত মিনিটখানেকের মধ্যেই তা স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় হেঁচকির উদাহরণও কিন্তু রয়েছে।

যেমন সবচেয়ে বেশি সময় ধরে হেঁচকি ওঠার বিশ্ব রেকর্ডের উদাহরণ হিসেবে মনে করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের চার্লস অসবোর্নের ঘটনাকে।

১৯২২ সালে হেঁচকি তোলা শুরু করেন তিনি, কথিত আছে সেসময় তিনি একটি শূকর ওজন করার চেষ্টা করছিলেন। মি. অসবোর্ন হেঁচকি তোলা থামান ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে – মোট ৬৮ বছর পর।

অনেক সময় ভয় দেখিয়েও হেঁচকি থামানো সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরাছবির উৎস,Getty Images
ছবির ক্যাপশান,অনেক সময় ভয় দেখিয়েও হেঁচকি থামানো সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা
হেঁচকি থামানোর উপায়
ঘরোয়াভাবে হেঁচকি থামানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে মূলত দুইটি মূলনীতি অনুসরণ করা হয়।

একটি হলো রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া যেন শ্বাসনালীতে খিঁচুনি বন্ধ হয়।

আরেকটি হলো শ্বাসপ্রশ্বাস ও গলধকরণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা ‘ভ্যাগাস’ স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করা।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি পদ্ধতিতে হেঁচকি থামানো যায়।

কাগজের ব্যাগে নিশ্বাস ফেলা (ব্যাগ মাথা দিয়ে ঢুকাবেন না)
দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া
বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া
কিছু দানাদার চিনি খাওয়া
লেবুতে কামড় দেয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেয়া
স্বল্প সময়ের জন্য দম বন্ধ করে রাখা
কখন চিকিৎসার পরামর্শ নিতে হবে
হেঁচকি সাধারণত আপনা থেকেই ভাল হয়ে যায়, তবে যদি অতি দীর্ঘসময় ধরে হেঁচকি উঠতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

মিজ. আখতার বলেন, “হেঁচকি নিরাময়ে ঘরোয়া চিকিৎসা যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।”

হেঁচকির তীব্রতার ওপর নর্ভির করে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াউচিত বলে মন্তব্য করেন মিজ. আখতার।

এছাড়া নিয়মিত হেঁচকিতে দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রম ব্যহত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বিবিসি নিউজ বাংলার স্বাস্থ্য সিরিজের এটি ষষ্ঠ ও সর্বশেষ পর্ব। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আরো প্রতিবেদনের জন্য চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার অনলাইন পাতায়-

ঝি ঝি ধরলে কী করবেন?

বোবায় ধরা কী, কেন হয়, পরিত্রাণ পাবেন কীভাবে

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যার সমাধান কী

মাংসপেশিতে টান পড়লে কী করবেন

সর্দিজ্বর: কেন হয় এবং কী করবেন?