Sale!

ভৌগোলিক পরিবেশ কি? ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান গুলো কি কি

Original price was: ৳ 600.00.Current price is: ৳ 500.00.

ফোন করুন:

01751358526

ব্যবহার:
ওজন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে ?
ছেলে মেয়ে সেবন করতে পারবে ?
খাবারের রুচি হবে শরীরের প্রচুর বৃদ্ধি করবে ?
ডঃ বিশ্বাস গুড হেলথ যা আপনার ওজন বৃদ্ধি করবে?
৫০ পিস 25 দিন সেবন করতে হবে ?

499 in stock

Description

ভৌগোলিক পরিবেশ কি? ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান গুলো কি কি মানুষ যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্যে বাস করে তাকে ভৌগোলিক পরিবেশ বলে। মানুষের যাবতীয় কার্যাবলি তার পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

50% ছাড়ে: ছেলেদের মেয়েদের লি- ঙ্গ ২ ইঞ্চি মোটা বড় করার কন -ডম কিনতে ক্লিক করুন এখনই কিনুন

50% ছাড়ে: ম্যাজিক ক-নড-ম বাংলাদেশি কন-ডম মেয়েদের কন-ডম দেখতে কিনতে  ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান

ভৌগোলিক পরিবেশের সংজ্ঞা
পরিবেশ শব্দটি Environ এবং ment এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, যার আভিধানিক অর্থ হলো পারিপার্শ্বিক অবস্থা, যা জৈব ও অজৈব উপাদান নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিক পরিবেশকে শুধু পরিবেশও বলা হয়।

পরিবেশ সম্বন্দ্বে বিভিন্ন ভূগোলবিদগণের দেয়া সংজ্ঞা নিম্নে উল্লেখ করা হলো-

“ভৌগোলিক পরিবেশ হলো সেই সমস্ত উপাদানের সমষ্টি, যার উৎপত্তি ও সৃষ্টির উপর মানুষের হাত নেই।” – অধ্যাপক এম. সি. আগরওয়ালা

“কোনো কিছুর উন্নতি বা সমৃদ্ধির ওপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহের সমষ্টিই হলো পরিবেশ।” –অধ্যাপক চেম্বার্স

“যেসব অবস্থা ও বস্তুসমূহ জীবনকে পরিবর্তিত বা প্রভাবিত করে তাই পরিবেশ।” –ড. সিরাজুল ইসলাম

“পরিবেশ হলো আমাদের চারিপার্শ্বস্থ সবকিছু। আমাদের পরিবেশ হলো প্রাকৃতিক বিশ্ব এবং মানুষ কর্তৃক উৎপাদিত বিষয়াবলির সমন্বয়।” – কারেন আর্মস

সুতরাং ভৌগোলিক পরিবেশ এমন একটি অবস্থা যার মধ্যে মানুষ বাস করে এবং উক্ত অবস্থার প্রভাব মানুষের জীবনযাত্রাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।

বাণিজ্যিক ভূগোলের আওতা বা পরিধি আলোচনা কর
ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান সমূহ
ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদানসমূহকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ক) প্রাকৃতিক পরিবেশ ও খ) অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ। নিম্নে একটি ছকের মাধ্যমে ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদানসমূহ দেখানো হলো-

প্রাকৃতিক পরিবেশ
প্রাকৃতিক পরিবেশ হলো সে সব প্রাকৃতিক উপাদানের সমষ্টি, যার উৎপত্তি এবং সৃষ্টির উপর মানুষের কোনো হাত নেই। নিম্নে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানগুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো-

১. ভূ-প্রকৃতি: প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্যতম উপাদান হলো ভূ-প্রকৃতি। ভূ-প্রকৃতি বলতে ভূমির অবস্থাকে বোঝায়। ভূ-প্রকৃতি পর্বতময়, মরুভূমি, মালভূমি বা সমভূমি হতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের ভূ-প্রকৃতির বিভিন্নতার কারণে মানুষের অর্থনৈতিক উপজীবিকাও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

২. ভৌগোলিক অবস্থান: ভৌগোলিক অবস্থান বলতে কোন দেশ পৃথিবীর কোন অঞ্চলে অবস্থিত তাকে বোঝায়। কোনো দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উন্নতি এর অবস্থানের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

৩. জলবায়ু: পৃথিবীর জলবায়ুর বিভিন্নতার ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মানুষের বাসস্থান, শিল্প, বাণিজ্য ও কর্মকুশলতার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

৪. আকৃতি: কোনো দেশের আকৃতি বলতে সে দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখার ধরনকে বোঝানো হয়। দেশের আকৃতি ও আকার বিভিন্নতার কারণে জলবায়ু ও ভূমির ব্যবহার ভিন্ন হয়।

৫. আয়তন: আয়তন বলতে রাজনৈতিক সীমারেখাকে বোঝায়। কোনো দেশের আয়তন ছোট বা বড় হতে পারে। আয়তন ছোট হলে সম্পদরাজি কম হবে এবং আয়তন বড় হলে সম্পদের পরিমাণ বেশি হবে। যেমন- ভারত বাংলাদেশ থেকে বড় বলে সম্পদের তুলনায় প্রাচুর্য বেশি।

৬. মৃত্তিকা: ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ যে পদার্থ দ্বারা আবৃত তাকে মৃত্তিকা বলে। মৃত্তিকা বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন- বেলে, এঁটেল, দোআঁশ ইত্যাদি। বিভিন্ন মৃত্তিকার উর্বরা শক্তিও বিভিন্ন রকম হয়।

৭. খনিজ সম্পদ: খনিজ সম্পদ হলো রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ, যা পৃথিবীর শিলাস্তরে পাওয়া যায়। কয়লা, লৌহ, তাম্র ও পেট্রোলিয়াম খনিজ সম্পদের উদাহরণ। বর্তমান বিশ্বে খনিজ সম্পদই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

৮. নদনদী ও সাগর: প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান হলো নদ-নদী। পৃথিবীর আদি সভ্যতাগুলোও নদী অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল।

৯. স্বাভাবিক উদ্ভিদ: ভূপৃষ্ঠের স্থলভাগে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে যে গাছপালা জন্মে থাকে তাকে স্বাভাবিক উদ্ভিদ বলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের জলবায়ু, মৃত্তিকা ইত্যাদি পার্থক্য অনুসারে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ জন্মে। যেমন- নিরক্ষীয় অঞ্চলে এক রকম বনাঞ্চল আবার ক্রান্তীয় অঞ্চলে অন্য রকম বনাঞ্চল দেখা যায়।

১০. জীবজন্তু/ প্রাণিজ সম্পদ: পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক পরিবেশে বিচিত্র ধরনের প্রাণী বাস করে। এ প্রাণীর সঠিক জাত বা সংখ্যা নির্ণয় করা অসম্ভব। এটা আবর স্থলচর, জলচর বা খেচর হতে পারে। এ সব প্রাণী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ মানুষের পেশা, খাদ্য ও শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বাণিজ্যিক ভূগোলের বিষয়বস্তু আলোচনা কর
অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ
অপ্রাকৃতিক বা সামাজিক পরিবেশ হলো পরিবেশের সে অংশ, যা মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত। সামাজিক পরিবেশের উপাদানগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো-

১. জাতি: পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জাতির মানুষ বাস করে। সব জাতির শক্তি, কর্মদক্ষতা ও উদ্যম সমান নয়। ইউরোপীয়রা অধিক উদ্যমী ও কর্মক্ষম বলে তারা উন্নত। আর সে তুলনায় এশিয়ানরা পশ্চাৎপদ।

২. ধর্ম: এ পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ বাস করে। তাই মানুষের অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে ধর্মীয় অনুশাসন এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩. শিক্ষা ও সংস্কৃতি: শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অগ্রসর জাতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, যে দেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে যত বেশি উন্নত সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রাও তত বেশি উন্নত।

৪. সরকার: সরকার হলো দেশ পরিচালনায় নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠান। কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, নীতি ও প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর করে।

৫. জনসংখ্যা: সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো মানুষ। আর মানব সম্পদ দ্বারাই সব অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে ভূমির প্রকৃতি ও উর্বরতা, যাতায়াত ব্যবস্থা, জীবিকার সংস্থান, নিরাপত্তা ইত্যাদি প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক কারণের ওপর ভিত্তি করে জনবসতি গড়ে ওঠে।

উপসংহার
মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের উন্নতি, বিকাশ এবং সার্বিক জীবনযাত্রা প্রণালি ভৌগোলিক পরিবেশ তথা প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক/সামাজিক পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত। প্রাকৃতিক পরিবেশ হলো এমন সব উপাদানের সমষ্টি, যা মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে।

ভৌগোলিক পরিবেশ কিভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান

Additional information

Sizes

52, 54, 56

color

আকাশি, কালো, নিল, বেগুনি, লাল

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ভৌগোলিক পরিবেশ কি? ভৌগোলিক পরিবেশের উপাদান গুলো কি কি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *