Description
ভিগোরেক্স ৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট
সিলডেনাফিল সাইট্রেট
৫০ মি.গ্রা.
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি
Unit Price: ৳ 30.10 (2 x 5: ৳ 301.00)
Strip Price: ৳ 150.50
50% ছাড়ে: ছেলেদের মেয়েদের লি- ঙ্গ ২ ইঞ্চি মোটা বড় করার কন -ডম কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন
50% ছাড়ে: ম্যাজিক ক-নড-ম বাংলাদেশি কন-ডম মেয়েদের কন-ডম দেখতে কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন
ভিগোরেক্স ট্যাবলেট এর কাজ কি
কার্যপদ্ধতি: যৌন উত্তেজনার সময় করপাস ক্যাভারনোসাম হতে নাইট্রিক অক্সাইডের নির্গমনের সাথে পুরুষের লিঙ্গ উত্থান জড়িত।
নাইট্রিক অক্সাইড গুয়ানাইলেট সাইকেজ এনজাইমকে অ্যাক্টিভ করে যার ফলে সাইক্লিক ওয়ানোসিন মনোফসফেটের লেভেল বেড়ে যায়।
এবং এর ফলে করপাস কেভারনোসামের মাংস পেশীর রিলাক্সেশন হয় ও রক্ত সঞ্চলন বেড়ে যায়।
সিলডেনাফিলের করপাস কেভারনোসামের মাংস পেশীর রিল্যায়েকশনে কোন অবদান নেই ।
কিন্তু ইহা ফসফোডাই ইস্টারেজ ৫ এনজাইম এর বিক্রিয়া বন্ধ করার মাধ্যমে করপাস কেভারনোসামে নাইট্রিক অক্সাইডের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
যৌন উত্তেজনার সময় যখন নাইট্রিক অক্সাইডের নির্গমন হয় তখন সিলডেনাফিল করপাস কেভারনোসামের ফসফোডাই ইস্টারেজ ৫ এর বিক্রিয়া বন্ধ করে সিজিএমপি এর লেবেল বাড়িয়ে দেয়
এবং সাথে সাথে মাংস পেশীর রিল্যাক্সেশন মাধ্যমে সেখানে রক্ত সঞ্চালনের পরিমান বাড়িয়ে দেয় যৌন উত্তেজনার মূহুর্ত ছাড়া রিকমেনডেড সেবনমাত্রায় লিঙ্গ উত্থান এর উপর সিলডেনাফিলের কোন প্রভাব নেই।
ফার্মাকোকাইনেটিক এবং মেটাবলিজম: মুখে সেবনের পর সিলডেনাফিল দ্রুত শোষিত হয় এবং গড় বায়োএভেইলিবিলিটি প্রায় ৪১%।
ইহা হেপাটিক মেটাবিলজমের মাধ্যমে সাইটোক্রোম পি ৪৫০ একটি সক্রিয় মেটাবোলাইটে রুপান্তরিত হয় এবং শরীর হতে বের হয়ে যায়।
সিলডেনাফিল ও এর মেটাবোলাইট উভয়েরই প্রাপ্তিক অর্ধায়ু প্রায় ৪ ঘন্টা।
শোষন এবং বন্টন: সিলডেনাফিল খুব দ্রুত শোষিত হয়। মুখে সেবনের ৩০ থেকে ১২০ মিনিটের মধ্যে সিলডেনাফিলের ঘনত্ব রক্তে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে, যদি খাবার গ্রহণের পূর্বে সেবন করা হয়।
কিন্তু সিলডেনফিল যখন ফ্যাট জাতীয় খাবারের সাথে গ্রহন করা হয় এখন ইহার শোষন কমে যায়।
মেটাবলিজম এবং নিঃসরন: সিলডেনাফিল যকৃতের মাইক্রোসোমাল আইসো এনজাইমের সাহায্যে শরীর হতে বের হয়ে যায়।
মুখ এবং শিরাপথে প্রয়োগের পর সিলডেনাফিল মেটাবোলাইট হিসেবে পায়খানার সাথে (প্রায় ৮০% মুখে সেবনের পর) বের হয়ে যায় এবং অল্প পরিমান (প্রায় ১৩%) মূত্রের সাথে বের হয়ে যায় ।
বিশেষ জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ফার্মাকোকাইনেটিক্স: বয়োবৃদ্ধ স্বাস্থ্যবান বয়স্কদের ক্ষেত্রে সিলডেনাফিলের ক্লিয়ারেন্স কমে প্রায় ৮৪% থেকে ১০৭% পর্যন্ত। AUC এর মান বেশী পাওয়া যায় স্বাস্থবান তরুনদের চেয়ে।
ভিগোরেক্স ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম
ইরেক্টাইল ডিসফাংশন: বেশির ভাগ রোগীর জন্য সুপরিশকৃত সেবনমাত্রা হচ্ছে ৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট, প্রয়োজনমত, যৌন কার্যাক্রমের ১ ঘন্টা পূর্বে।
তবে সিলডেনফিল যৌন কার্যক্রমের ৪ থেকে আধঘন্টা পূর্বেও সেবন করা যাবে।
কার্যক্ষমতা সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে সিলডেনাফিলের সেবনমাত্রা বাড়িয়ে ১০০ মি.গ্রা ও কমিয়ে প্রায় ২৫ মি. গ্রা. পর্যন্ত করা সম্ভব।
সর্বোচ্চ সেবনমাত্রা হচ্ছে প্রতিদিন ১টি ট্যাবলেট।
সিলডেনাফিলের প্লাজমা লেভেল কিছু ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে সেগুলো হলো: বয়স ৬৫ বছরের বেশি হলে, যকৃতের সমস্যা,
রেনাল সমস্যা এবং এর সাথে অন্য কোন সাইটোক্রোম পি 450 3A4 ইনহিবিটয়ের ব্যবহার যেমন- কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, ইরাইথ্রোমাইসিন, স্যাকুইনেভির ইত্যাদি।
যেহেতু প্লাজমা লেভেল বেশি হলে কার্যক্ষমতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দুটোই বেড়ে যায় তাই এই ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে শুরুর সেবন মাত্রা ২৫ মি. গ্রা. হতে হবে।
যেহেতু সিলডেনাফিল সাইট্রেটস সমূহের হাইপোটেনসিভ ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়া সেহেতু যে সকল রোগী নাইট্রিক অক্সাইড ও যে কোনো ধরনের নাইট্রেট গ্রহন করছেন তাদের ক্ষেত্রে ওষুধটি প্রতিনির্দেশিত। যখন সিলডেনাফিল ও আলফা ব্লকার একসাথে প্রযোগ করা হবে তখন সিলডেনাফিল প্রয়োগের পূর্বে আলফা ব্লকার প্রায়োগ করতে হবে এবং সিলডেনাফিল খুবই নিম্নমাত্রায় ব্যবহার করতে হবে ।
পালমোনারী আর্টারিয়াল হাইপারটেনশন: সিলডেনাফিল সাইট্রোটের রিকমেনডেড সেবনমাত্রা হচ্ছে ২০ মি.গ্রা. প্রতিদিন তিনবার খাবারের ৪-৬ ঘন্টা পূর্বে অথবা পরে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন’
ভিগোরেক্স ট্যাবলেট পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সম্পূর্ন শরীর: মুখ ফুলে যাওয়া, ফটোসেনসিটিভিটি বিক্রিয়া, শক, এসথেনিয়া, ব্যথা, চিলস, দুর্ঘটনাবশত পরে যাওয়া, অ্যাবডোমিনাল ব্যথা, অ্যালার্জিক বিক্রিয়া, বুক ব্যথা, দুর্ঘটনাবসত ইনজুরি ইত্যাদি।
কার্ডিওভাসকুলার: এনজিনা পেকটোরিস, এভি ব্লক, মাইগ্রেইন, সিনকোপ, ট্যাডিকার্ডিয়া, প্যালপিটিসন।
ডাইজেষ্টিভ: বমি, গ্লোসাইটিস, কোলাইটিস, ডিসফ্যাজিয়া, গ্যাস্ট্রাইটিস, গ্যাস্টোইন্টরাইটিস, ইসোফাজাইটিস, স্টোমাইটাইটিস, ড্রাই মাউথ, অস্বাভাবিক যকৃত কিনা, রেকটাল হেমোটেইজ, জিনজিভাইটিস।
হেমিক এবং লিমফেটিক: অ্যানেমিয়া এবং লিউকোপেনিয়া।
মেটাবলিক ও নিউট্রিশনাল: তৃষ্ণা, ফুলে যাওয়া, গাউট, ডায়েবেটিস, হাইপারগ্লাইসেমিয়া, পেরিফেরাল ইডিমা, হাইপার ইউরেসিমিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিক বিক্রিয়া, হাইপারন্যাট্রেমিয়া।
মাসকুলোস্কেলিটাল: আর্থাইটিস, আথ্রোসিস, মায়ালজিয়া, টেনডন রাপচার, হাড় ব্যথা, টেনোসিনভাইটিস, মাইওসথেনিয়া, সাইনোভাইটিস।
স্নায়ু: অ্যাটাকসিয়া, হাইপারটোনিয়া, নিউরালজিয়া, নিউরোপ্যাথি, প্যারেসথেসিয়া, কাপুনি, ভার্টিগো, ডিপ্রেসন, ইনসোমনিয়া, সোমনোলেন, অ্যাবনরমাল ড্রিম, হাইপেসথেসিয়া ।
শ্বসন: অ্যাজমা, ডিসপনিয়া, ল্যারেনজাইটিস, ফ্যারেনজাইটিস, সাইনুসাইটিস, ব্রনকাইটিস, কফ। চামড়া ও অ্যাপেনডেজেস আর্টিকেরিয়া, হারপিস সিমপ্লেক্স, প্ররাইটাস, ঘাম, স্কিন আলসার, কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, এক্সফোলিয়েটিভ ডার্মাটাইটিস।
বিশেষ সেল: হঠাৎ কানে কম শোনা, মাইডিয়াসিস, কনজাংটিভাইটিস, ফটোফোবিয়া, টিনিটাস, চোখ বাথা, কান ব্যথা, চোখে রক্তক্ষরণ, চোখে ছানি, শুষ্ক চোখ ইত্যাদি ।
ইউরোজেনিটাল: সিসটাইটিস, নকটুরিয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব, ব্রেস্ট বড় হয়ে যাওয়া, ইউরেনারী ইনকান্টিনেন্স, জেনিটাল ইডিমা, অ্যানরগ্যাসমিয়া।




















Reviews
There are no reviews yet.