তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত , তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত , তাহিয়্যাতুল অজু। দুই রাকাত অভিবাদনের নামাজ। অভিবাদন বলতে— অজুকে অভিবাদন জানানো। দেখা-সাক্ষাতে মানুষ যেমন অন্যকে অভিবাদন জানায়, তেমনি অজু-মসজিদকে অভিবাদন জানানো হয়। অভিবাদন জানানো ইসলামের সৌন্দর্য।

মুমিনরা সালাম-মুসাফাহার মাধ্যমে অভিবাদন জানিয়ে থাকে। আর মসজিদকে অভিবাদন জানানো হয়, আমলের মাধ্যমে। আর আমলটি হলো- দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজ।

স্বাভাবিকতই আমরা পবিত্রতার জন্য অজু করি। এই অজুরও অভিবাদনের সুন্দর পদ্ধতি রয়েছে। নবীজি (সা.) আমাদের তা শিখিয়েছেন। এটি তার সুন্নত। তাহিয়্যাতুল অজুর নামাজের মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে

তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

বাংলা নিয়তঃ”আমি দুই রাকাআত তাহিয়্যাতুল অজু’ নামাজ আদায় করছি।

তাহিয়াতুল নামাজ পড়ার নিয়ম

সাধারণ সুন্নাত ও নফল নামাজের ন্যায় যেকোন সূরা-কিরাত দ্বারা ‘ তাহিয়্যাতুল অজু’ আদায় করা যায়। উভয় রাকাআতেই সূরা ফাতিহার পর অন্য সূরা মিলাতে হবে এবং আখেরী বৈঠক আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ শরীফ ও দোয়ায়ে মাছূরা সব পড়ে সালাম ফিরাতে হবে।অজুর পর দুই রাকাআত নামাজ পড়লে জান্নাত ওয়াজিব। Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

তাহিয়্যাতুল ওজুর নামাজওজু করার পর দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া এ সম্পর্কে হযরত ওকবা ইবনে আমের জুহানী (রাজি.) থেকে বর্ণিত আছে নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ওজু করার পর একাগ্রতা ও আল্লাহর দিকে মনকে ধাবিত করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাত ওয়াজীব করে দেবেন। (নাসায়ী শরীফ, ১ম খ-, ৩৬ পৃষ্ঠা)।

এই নামাজের সময়নামাজের নিষিদ্ধ সময় ছাড়া যে কোনো সময় ওজু করার পর এ নামাজ পড়া যায়। অর্থাৎ তিন সময় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। (১) সূর্য উদয়ের সময়, (২) ঠিক দুপুরে, (৩) সূর্য ডুবার সময়। (তিরমিযী শরীফ, ২য় খ-, ৩৪১ পৃষ্ঠা) । Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত

তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত

তাহিয়্যাতুল অজুতে শুধু শুধু গুনাহই মাফ হয় না। বরং মান-মর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। একদিন ফজরের নামাজের সময় বেলাল (রা.)-কে নবী (সা.) বললেন, ‘বেলাল! আমাকে বলো দেখি, ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর থেকে তোমার কোন্ আমলটি তোমার কাছে (সওয়াবের আশার দিক থেকে) সবচেয়ে উত্তম বলে মনে হয়? কারণ, আমি জান্নাতে আমার সামনে সামনে তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি।’

তখন বেলাল (রা.) বললেন, ‘তেমন কোনো আমল আমার নেই; যার দ্বারা আমি (বিপুল সওয়াবের) আশা করতে পারি। তবে দিনরাতের যখনই আমি অজু করি; তখনই সেই অজুর মাধ্যমে যে কয় রাকাত সম্ভব হয়, আমি নামাজ আদায় করি।’ (বুখারি, হাদিস : ১১৪৯; মুসলিম, হাদিস : ২৪৫৮)

ফরজ ইবাদত পালনের পাশাপাশি নফল ইবাদতও করা চাই। তাই এই আমলেও যত্ন নেওয়া উত্তম। আল্লাহ তাআলা গুনাহ মাফের পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুন্নতও আদায় হবে।

আমরা চেষ্টা করেছি আজকের পোস্ট এর সাহায্যে সবাইকে তাহিয়াতুল নামাজের নিয়ত এ সম্পর্কে জানাতে। অন্যদিকে তাহিয়্যাতুল ওযুর নামাজের ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে। সবার সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে সবাই শবে মেরাজের নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।