রমজানের নিয়ত , নফল রোজার নিয়ত পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।
রোজা পালন উপলেক্ষ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে; যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া (আত্মশুদ্ধি) অর্জনে করতে পার। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)
এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ বোরকা হিজাব মাত্র ৪৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

রমজানের নিয়ত
আরবি নিয়ত : নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী। Gazivai.com এ ৫০০ টাকা চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

নফল রোজার নিয়ত
নফল রোজার নিয়ত আরবি যে কোন ভাবেই হতে পারে নিয়ত কথাটা অর্থই হচ্ছে ইচ্ছা পোষণ করা অর্থাৎ আপনার মনে মনে একটি বিষয় স্থির করলেন যে নেই আপনি একটি নফল রোজা পালন করবেন এতে আপনার নিয়ত হয়ে যাবে কারণ নিয়তের অর্থই হচ্ছে কঠিন কোন কাজ করার জন্য মনস্থির করা।
নফল রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া বাংলা
আমরা অনেকেই অনেক নফল ইবাদত করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আরেকটি নকল করা হচ্ছে সিয়াম পালন করা বা রোজা রাখা অনেকেই আমাদের মধ্যে জানতে চাই যে নফল রোজার জন্য নফল রোজার জন্য আলাদা কোন নিয়ত শেয়ার করার জন্য আলাদা কোন প্রয়োজন আছে কিনা প্রকৃতপক্ষে কথাটি প্রকৃত অর্থেই হচ্ছে,ইচ্ছা পোষণ করা হয় অর্থাৎ আপনি সিয়াম পালনের জন্য ইচ্ছে পোষণ করেছেন এটাই হচ্ছে নিয়ত আলাদাভাবে কোন নিয়ত করার প্রয়োজন নাই। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনইব্রাকিনুন

নফল রোজার নিয়ত কখন করতে হয়
নফল রোজার মধ্যে কিছু কিছু না করলে রয়েছে যা সুনির্দিষ্ট অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে ওই নফল রোজা গুলো রাখা হবে রাখা হয় তাছাড়া অনেক নফল রোজা রয়েছে যে ব্যক্তি নিজে থেকেই ইচ্ছে করে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে লেখা থাকে সে ক্ষেত্রে যদি নফল রোজা সুনির্দিষ্ট হয়ে থাকে তাহলে রোজা রাখার পূর্বে পূর্বেই রোজার নিয়ত করা উত্তম অর্থাৎ ফজর হওয়ার আগেই ব্যক্তি তার জন্য নিয়ত করে ফেলাটাই উত্তম কাজ।
নফল রোজার ফজিলত
রোজার ফজিলত সম্পর্কে হাদিস শরিফে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রত্যেক বস্তুর জাকাত আছে, শরীরের জাকাত রোজা।’ (ইবনে মাজাহ, মিশকাত)। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচার সুদৃঢ় দুর্গ।’ (নাসায়ি)।
আজকের আর্টিকেলটি ছিল রমজানের নিয়ত এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি রমজানের নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন




