কাজা নামাজের নিয়ত , কাযা নামাজের বিধান ,কাযা নামাজের হাদিস , আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় বন্ধু আপনি কি কাজা নামাজের নিয়ত ও কাজা নামাজ আদায় করার নিয়ম ও কাযা নামাজের হাদিস জানতে ইচ্ছুক। যদি তাই হয় তাহলে আপনাকে কাজা নামাজের নিয়ত ও কাজা নামাজ আদায় করার নিয়ম পোস্টে আপনাকে স্বাগতম।

তো বন্ধুরা আমরা একজন মুস্লিম হিসেবে আমাদেরকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হয়। যদি সেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে কোনো কারনে যদি এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয়ে যায় সেক্ষেত্রে আমাদের কাযা নামাজ কিভাবে আদায় করবেন সে বিষয় আমরা আজকের পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছি।

এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

কাজা নামাজের নিয়ত

কাজা নামাজের নিয়ত

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন আকদিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকআতাই সালাতিল ফাজরিল ফাইতাতি ফারদুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।।

বাংলা নিয়ত: আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে বিগত অনাদায়ী ফজরের দুই রাকআত ফরয নামাযের কাযা আদায় করার নিয়ত করলাম আল্লাহু আকার ।।

কাযা নামাজের হাদিস

যে নামাজের যে সময় নির্ধারিত আছে, সেই সময়ের মধ্যে তাহা আদায় না করিলে জিম্মাদারী হইতে মুক্তিলাভ হয় না। পরে সেই নামাজ অবশ্যই আদায় করিতে হয়। সময় মত পড়ে নাই বা পড়িতে পারে নাই বলিয়া পরেও পড়িতে হইবে না, তাহা নয় ।

বিনা ওজরে-ওয়াজিব নামাজ যথাসময়ে না পড়িলে গুনাহ হয়। সুতরাং বিনা ওজরে শুধু আলস্য হেতু সময় মত নামাজ না পড়ার গুনাহ কিছুতেই করা উচিত নয় । Gazivai.com এ  ৫০০ টাকা  চুল ও গোপন অঙ্গের পশম কাটার ট্রিমার কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

কাজা নামাজের নিয়ত

কাযা নামাজের বিধান

ফরজ নামাযের কাযা আদায় করা ফরয। ওয়াজিব নামাযের কাযা আদায় করা ওয়াজিব। মুসাফির অবস্থায় যে নামায কাযা হয়েছে তা মুকীম অবস্থায় আদায় করা হলে মুসাফিরের মত আদায় করতে হবে।

আর মুকীম অবস্থায় যে নামায কাযা হয়েছে তা মুসাফির অবস্থায় আদায় করলে চার রাকআতের নামায চার রাকআতই আদায় করতে হবে। (ফতােয়ায়ে আলমগীরী) মা’যুর অবস্থায় সুস্থ অবস্থার নামায কাযা আদায় করলে বসে বা শয়ন করেই সে নামায আদায় করবে।

যেহেতু মা’যুর অবস্থায় দাড়িয়ে নামায আদায় করা তার জন্য সম্ভব ছিল না। পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে এবং দাড়িয়ে নামায আদায় করতে সক্ষম। হলে পুনরায় সে নামায আদায় করতে হবে না।

কাজা নামাজের নিয়ত

যে সব কারণে নামাজ কাযা করা যায়

যদি কারাে মনে এরূপ ধারণা উদয় হয় যে, শত্ৰু অতি নিকটে। সে যদি। নামাযে দাঁড়ায় তাহলে শত্রু তার উপর আক্রমণ করতে পারে অথবা মুসাফির যদি এরূপ ধারণা করে যে, সে নামাযে দাঁড়ালে তার মালপত্র সব কিছু চুরি হয়ে যাবে তাহলে নামায কাযা করা জায়েয আছে। (ফতওয়া ও মাসয়ালা)

সন্তান প্রসব করার সময় ধাত্রীর জন্য নামায কাযা করা জায়েয আছে। কারণ ধাত্রীর সামান্য বিলম্বের কারণে মা ও শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। (গায়াতুল আওতার)

কেউ যদি ঘুমিয়ে থাকে এবং ওয়াক্ত চলে যাবার পর তার ঘুম ভাঙ্গে কেউ যদি নামাযের কথা একেবারে ভুলে যায় এবং নামাযের সময় অতিবাহিত হবার পর মনে পড়ে তাহলে তার এ নামায কাযা আদায় করা ফরয। কিন্তু এ বিলম্বের কারণে তার কোন গুনাহ হবে না। তবে নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার পর নামায আদায় না করে ঘুমানাে জায়েয নয়।

আজকের আর্টিকেলটি ছিল রোজা রাখার নিয়ত এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি রোজা রাখার নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন তাদের আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।