ব্রেস্ট সিস্ট হলে কি সমস্যা হয়

Written by

in

ব্রেস্টে বা স্তনে সিস্ট হওয়া মেয়েদের খুব সাধারণ একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ব্রেস্ট সিস্ট (Breast Cyst) বলা হয়। এটি মূলত স্তনের ভেতরের তরল পদার্থে (Fluid) পূর্ণ এক ধরণের ছোট থলি। সাধারণত ৩৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়, তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরেও এটি যেকোনো বয়সে হতে পারে।

সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, ব্রেস্ট সিস্ট সাধারণত ক্যান্সার নয় (Non-cancerous বা Benign) এবং এটি থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে না। তবে সিস্ট হলে কিছু শারীরিক অস্বস্তি ও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আপনি যদি পণ্যটি অর্ডার করতে চান অথবা এটি সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে চান তাহলে ফোন করুন এই নাম্বারে 01751358525,01751358526 (whatsapp)

ব্রেস্ট সিস্ট হলে প্রধানত যেসব সমস্যা বা লক্ষণ দেখা যায়, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. স্তনে চাকা বা গুটি অনুভব করা

স্তনে হাত দিলে একটি বা একাধিক গোল অথবা ডিম্বাকৃতির মসৃণ চাকা অনুভব করা যায়। হাত দিলে এটি সাধারণত এক জায়গায় স্থির না থেকে সামান্য নড়াচড়া করে (যেমনটা একটি ছোট পানির বেলুন চেপে ধরলে মনে হয়)।

২. স্তনে ব্যথা ও অস্বস্তি

অনেকের ক্ষেত্রে সিস্টে কোনো ব্যথা থাকে না। তবে অনেকের স্তনে বা বগলের আশেপাশে ভারী ভাব, অস্বস্তি বা নিস্তেজ এক ধরণের ব্যথা (Dull ache) হতে পারে।


আমাদের থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে ভিজিট করুন  gazivai.com   ওয়েবসাইটে অথবা সরাসরি কিনতে ফোন করুন 01751358525 এই নাম্বারে

৩. মাসিকের সাথে লক্ষণের ওঠানামা

হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাসিকের ঠিক আগে আগে (Period শুরু হওয়ার ১-২ সপ্তাহ আগে) সিস্টের আকার কিছুটা বড় হয়ে যেতে পারে এবং স্তনের সংবেদনশীলতা বা ব্যথা অনেক বেড়ে যেতে পারে। মাসিক শেষ হলে ব্যথা কমে যায় এবং সিস্টের আকারও আবার ছোট হয়ে যায়।

৪. নিপল বা বোঁটা দিয়ে তরল নির্গমন

কিছু ক্ষেত্রে সিস্টের কারণে স্তনের বোঁটা বা নিপল দিয়ে পরিষ্কার, সামান্য হলুদ, খড় রঙের অথবা কালচে বাদামী রঙের তরল বা জলীয় পদার্থ নিঃসৃত হতে পারে।

ব্রেস্ট সিস্ট ও ব্রেস্ট ক্যান্সার কি এক?

অনেকে স্তনে চাকা অনুভব করলেই ক্যান্সারের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু মনে রাখবেন, ব্রেস্ট সিস্ট এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

  • ব্রেস্ট সিস্ট: এটি কেবলই পানি বা তরল ভর্তি একটি থলি, যা নরম বা স্থিতিস্থাপক হয়।
  • ব্রেস্ট ক্যান্সার: এটি সাধারণত শক্ত, অসম আকৃতির এবং ব্যথাহীন একটি মাংসপিণ্ড বা চাকা হয়ে থাকে যা সহজে নড়াচড়া করে না।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

স্তনে যেকোনো নতুন চাকা বা পরিবর্তন দেখা দিলে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একজন ব্রেস্ট সার্জন (Breast Surgeon) বা জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে নিচের লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান:

  • মাসিকের পরেও যদি স্তনের চাকাটি মিলিয়ে না যায় বা দিন দিন বড় হতে থাকে।
  • স্তনের চামড়ায় কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে (যেমন চামড়া কুঁচকে যাওয়া বা গর্ত হওয়া)।
  • নিপল বা স্তনের বোঁটা ভেতরের দিকে দেবে গেলে।
  • নিপল দিয়ে রক্তযুক্ত বা লালচে তরল বের হলে।

নিশ্চিত হওয়ার উপায়: ডাক্তাররা হাত দিয়ে পরীক্ষার পর সাধারণত একটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Breast USG) অথবা ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ম্যামোগ্রাফি (Mammography) করতে দেন। সিস্টের পানি যদি খুব বেশি ব্যথার সৃষ্টি করে, তবে ডাক্তাররা একটি চিকন সুঁই দিয়ে তরলটি বের করে (Fine Needle Aspiration) দিলে ব্যথা সাথে সাথেই কমে যায়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493

Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (1) in /home/zkwpgfzs/public_html/wp-includes/functions.php on line 5493