নিয়ত বায়ু কাকে বলে, এই সম্পর্কে অনেকে আমাদের কাছে জানতে চেয়ে থাকেন তো আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা নিয়ত বায়ু কাকে বলে এর সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব অবশ্যই আমাদের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন তো চলুন জেনে নেয়া যাক
এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

নিয়ত বায়ু কাকে বলে
পৃথিবীর স্থায়ী চাপ বলয় গুলির অবস্থান এর উপর ভিত্তি করে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে একটি নির্দিষ্ট দিকে সারাবছর নিয়মিতভাবে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলা হয়।
নিয়ত বায়ুর প্রকারভেদ
নিয়ত বায়ুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা – আয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
আয়ন বায়ু – কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপবলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে যে বায়ু সারা বছর ধরে নিয়মিত ভাবে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়ে থাকে, তাকে আয়ন বায়ু বলে।
আয়ন বায়ুর বৈশিষ্ট্য
১. অবস্থান – আয়ন বায়ু উভয় গোলার্ধে ৫ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রি অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
২. নামকরন – উত্তর গোলার্ধে আয়ন বায়ু উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু এবং দক্ষিন গোলার্ধে এটি দক্ষিন-পূর্ব আয়ন বায়ু নামে পরিচিত।Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

৩. গতিবেগ – উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগ বেশি থাকায় উত্তর পূর্ব আয়ন বায়ুর গতিবেগ সামান্য কম হয়, যা ঘণ্টায় ১৬ কিমি। অন্যদিকে দক্ষিন-পূর্ব আয়ন বায়ু সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে স্থলভাগ জনিত বাধা কম হওয়ায় গতিবেগ বেশি হয়, ঘণ্টায় ২২ কিমি।
৪. অপর নাম – আগে কার দিনে পাল তোলা বানিজ্য জাহাজ গুলি আয়ন বায়ুর গতিপথ অনুসারে যাতাযাত করতো বলে, আয়ন বায়ুকে বানিজ্য বায়ু বলা হয়।
পশ্চিমা বায়ু – উভয় গোলার্ধে ৩০ ডিগ্রি থেকে ৬০ ডিগ্রি অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ যুক্ত অঞ্চল থেকে সুমেরু ও কুমেরু বৃত্ত নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সারা বছর ধরে পশ্চিম দিক থেকে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে পশ্চিমা বায়ু বলে।Gazivai.com এ ফর্সা হওয়ার ক্রিম ও বডি লোশন কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন
পশ্চিমা বায়ুর বৈশিষ্ট্য

১. নামকরন – উত্তর গোলার্ধে এই বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু এবং দক্ষিন গোলার্ধে এটি উত্তর-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু নামে পরিচিত।
২. বৃষ্টিপাত – পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে মহাদেশ গুলির পশ্চিম অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় কিন্তু পূর্ব দিকে বৃষ্টিপাত খুবই কম হয়। এই পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবেই ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
মেরু বায়ু – উভয় গোলার্ধে সুমেরু ও কুমেরু উচ্চচাপ যুক্ত অঞ্চল থেকে যে বায়ু সুমেরু ও কুমেরু নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সারাবছর ধরে প্রবাহিত হয়ে থাকে তাকে মেরু বায়ু বলে।
মেরু বায়ুর বৈশিষ্ট্য
১. নামকরন – উত্তর গোলার্ধে মেরু বায়ু উত্তর-পূর্ব মেরু বায়ু এবং দক্ষিন গোলার্ধে দক্ষিন-পূর্ব মেরু নামে পরিচিত।
২. বায়ুর প্রকৃতি – এই বায়ু শীতল বরফাবৃত মেরু অঞ্চল থেকে প্রভাবিত হয় বলে এই বায়ু খুব শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়।
আজকের আর্টিকেলটি ছিল নিয়ত বায়ু কাকে বলে এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি রমজানের নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন
