কসর নামাজের আরবি নিয়ত , কসর নামাজের নিয়মকসর নামাজের নিয়ত জানতে চাইছেন? তাহলে বলবো একদম সঠিক স্থানে এসেছেন। হ্যাঁ, আমরা আপনাদেরকে কসর নামাজের নিয়ত জানাবো এবং কসর নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিব। যাতে করে আপনারা কসর নামাজ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ভ্রমণকালে এই নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আপনাদের এবাদাত সঠিক রাখতে পারেন।
এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

কসর নামাজ কি
এই নামাজ মহান আল্লাহতালার বিশেষ অনুগ্রহ। মহান আল্লাহতালা সব সময় তাঁর বান্দাদের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন এবং কাঠিন্য আর মাকসাদ এর বহির্ভূত।আর তার জন্য সফর বা ভ্রমণ করার সময় ক্লান্তির দিক লক্ষ্য করে মহান আল্লাহতালা ফরজ চার রাকাত বিশিষ্ট যোহর আসর এবং এশার সালাত কে সংক্ষিপ্ত করে দুরাকাত ফরজ করে দিয়েছেন তাঁর বান্দাদের জন্য। সুবহানাল্লাহ। সুতরাং এই ফরজ চার রাকাত নামাজের সংক্ষিপ্ত রূপ দুই রাকাত নামাজ আদায় করাকে কসর নামাজ বলে।
কসর নামাজের আরবি নিয়ত
আপনারা যারা মুসাফির তারা যেভাবে কসর নামাজের নিয়ত করবেন তা হচ্ছে- আমরা যেভাবে ফরজ নামাজের নিয়ত করি ঠিক সেভাবে ফরজ সালাতের মত করে কিবলামুখী হয়ে নিয়ত করতে হবে শুধুমাত্র সেখানে কসরের নামাজ এবং দুই রাকাত কথাটি উল্লেখ করে দিতে হবে। কিন্তু আপনাদেরকে কসর নামাজ আদায়ের জন্য নিয়ত সঠিক রাখতে হবে এবং সেই নিয়ত আরবীতে অথবা বাংলায় উচ্চারণ করতে পারবেন। তাছাড়াও আপনারা মনে মনে কসর নামাজের নিয়ত করে নিতে পারবেন। স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তক দেশি-বিদেশি বিখ্যাত বই কিনতে ক্লিক করুন – এখনি কিনুন

কসর নামাজ কত রাকাত
কসর নামাজ এক কথায় বলতে গেলে দুই রাকাত। কিন্তু আপনারা যারা এখন পর্যন্ত কসর নামাজের দুই রাকাত বুঝতে পারেননি তাদের জন্য নিম্নে বিস্তারিত বুঝিয়ে দেয়া হলো-
আমরা সাধারণত যোহর, আসর এবং এশিয়া ওয়াক্তের নামাজের মধ্যে চার রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে থাকে। যদি কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট দূরত্বে ভ্রমণ করে এবং সেই ব্যক্তি যদি মুসাফির হয় তাহলে ওই ব্যক্তিকে এই চার রাকাত ফরজ নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে।
আর ওই ব্যক্তি যদি ব্যস্ত না থাকেন তাহলে অবশ্যই ওই ব্যক্তিকে সুন্নত নামাজ আদায় করতে হবে। কারণেই সুন্নত নামাজ ঐ ব্যক্তির জন্য উত্তম। কিন্তু যদি তিনি ব্যস্ততায় থাকেন তাহলে এই সুন্নত নামাজ আদায় না করলেও হবে।
তাহলে বুঝা গেল যে কসর নামাজ যোহর, আসর এবং এশার নামাজের ফরজ চার রাকাত এর পরিবর্তে দুই রাকাত ফরজ নামাজ কেই বোঝায়।Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনইব্রাকিনুন

কসর নামাজের নিয়ম
ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি যে মুসাফির ব্যক্তি যাত্রাপথে নির্দিষ্ট দূরত্বে যদি চলে যান তাহলে যোহর, আসর এবং এশার সালাতের চার রাকাত ফরজ এর পরিবর্তে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে। আর এ নামাজ সম্পর্কে হাদীসে এসেছে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হজ, ওমরা এবং যুদ্ধ সহজে কোন শহরে সময় কদরের নামাজ আদায় করতেন। ইবনে ওমর হতে বর্ণিত হয়েছে, “ আমি মোহাম্মদ সাঃ এর সাথে ছিলেন এবং তিনি সফরের চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজ দুই রাকাতের বেশি পড়তেন না”। এবং তখন আবু বকর ও ওমর একই রকম ভাবে নামাজ পড়তেন। ( বুখারী ও মুসলিম)।
সুতরাং কসরের নামাজের নিয়ম হচ্ছে-
যদি কোন ব্যক্তি ৪৮ মায়ের অতিক্রম করে তাহলে সে কসরের নামাজআদায় করবেন। আর সেই সফরে স্থান যদি ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত হয় তবে ওই ব্যক্তি গন্তব্যস্থলে পৌঁছে তার নামাজ কসর আদায় করবেন।
প্রথমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে ওযু অথবা তায়াম্মুম করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে কসর নামাজের জন্য নিয়ত করতে হবে। ( এখানে লক্ষণীয় যে কসর নামাজের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যোহর, আসর এবং এশার নামাজের ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পরিবর্তে দুই ওয়াক্ত নামাজের নিয়ত করতে হবে)।
এরপর আমরা যেভাবে ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করি ঠিক সেভাবে দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে।
এক্ষেত্রে আপনারা সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর যে কোন সূরা পাঠ করে কসরের নামাজ আদায় করতে পারেন।
তবে মুসাফিরকে অবশ্যই মাগরিবের তিন রাকাত ফরজ এবং এশার দুই রাকাত ফরজ এর সাথে ৩ রাকাত বিতর নামাজ অবশ্যই পড়তে হবে।
যদি কোন ব্যক্তি তার ব্যস্ততার জন্য সুন্নত নামাজ আদায় না করতে পারে তাহলে এর কোন গুনাহ হবে না তবে যদি কোন ব্যক্তি সুন্নত নামাজ গুলো আদায় করে থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির জন্য এটি উত্তম।
আজকের আর্টিকেলটি ছিল ফজরের নামাজের নিয়ত এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন
