চাশতের নামাজের নিয়ত , চাশতের নামাজের নিয়ম । সাধারণত আমরা প্রত্যেকদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে থাকি। কিন্তু এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পাশাপাশি আরো অন্যান্য বেশকিছু নামাজ রয়েছে। আর এই সকল নামাজগুলো বিশেষ বিশেষ কারণে পড়া হয়।

যেমনঃ সালাতুল তাজবি, তাহাজ্জু্‌ত, ইস্তেখারার নামাজ ইত্যাদি। আর এই বিশেষ নামাজ গুলোর মধ্যে চাশতের নামাজ বা সালাতুত দোহা নামাজ রয়েছে। তাই আপনাদের জন্য আমরা সালাতুত দোহা নামাজের নিয়ম নিয়ে হাজির হয়েছি। চলুন তাহলে জেনে নেই আমাদের আজকের মূল বিষয়।

এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে।Gazivai.com এ ব্রান্ডের ঘড়ি মাত্র ৯০০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

চাশতের নামাজের নিয়ত

চাশতের নামাজের নিয়ত

নিয়্যাত: نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَتَىْ صَلٰوةِ الْضُحَى سُنَّةُ رَسُوْلِ اللّٰهِ تَعَالٰى مُتَوَ جِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ : اَللّٰهُ اَكْبَرُ
অর্থ: কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে নবীর সুন্নাত দুই রাকা’আত চাশতের নামাযের নিয়্যাত করছি, আল্লাহু আকবার।

চাশতের নামাজের নিয়ম

হাদিস শরীফে চাশতের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে অনেক হাদিস পাওয়া যায়। তাই আমরা আপনাদের সামনে যে সকল নিয়ম রয়েছে তার বর্ণনা তুলে ধরছি। যাতে করে আপনারা বুঝতে পারেন যে চাশতের নামাজের নিয়ম সম্পর্কে।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয় যে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে কিছু ভক্ষণ না করে অর্থাৎ খাবার না খেয়ে চার রাকাত নামাজ আদায় করে এবং প্রতি রাকাত নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার পর সূরা ফালাক এবং নাচ পার্ট করে এই নামাজ আদায় করে তার চল্লিশ বছরের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে”। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

চাশতের নামাজের নিয়ত

হযরত উম্মে সালমা এবং হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, হুজুর আকরাম (সাঃ) চাশতের নামাজ ১২ রাকাত আদায় করতেন। চাশতের নামাজের সূরা ফাতিহা পড়ার পর সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করতেন। এই নামাজে তিনি দীর্ঘ করতেন এবং স্থান আসিফ লম্বা করে পাঠ করতেন এবং তিনি নামাজে খুব কান্না করতেন।

আমর বিন শুয়াইব রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতা ও দাদা হতে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর বাণী- যে ব্যক্তি চাশতের নামাজ ১২ রাকাত আদায় করবেন তিনি প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা একবার, আয়াতুল কুরসি একবার এবং সূরা ইখলাস তিনবার। এইগুলো পাঠ করার ফলে আসমান হতে ৭০ হাজার ফেরেশতা অবতীর্ণ হবে।

এবং সেই সকল ফেরেশতাগণ ওই ব্যক্তির আমলনামায় নেকি লিখতে থাকবেন যতদিন না পর্যন্ত ইসরাফিল ফেরেশতা শিঙ্গায় ফুৎকার না দেন। আর যখন কেয়ামত হবে তখন ঐ ব্যক্তির নিকট ফেরেশতাগণ আসবেন এবং প্রত্যেক তাদের সাথে থাকবে এবং ওই ব্যক্তির কবরের পাশে ফেরেশতাগণ দাঁড়িয়ে থাকবেন আর বলবেন হে কবরবাসী উঠ, তুমি নিরাপত্তা প্রাপ্তদের মধ্যে একজন। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

চাশতের নামাজের নিয়ত

ইমাম মুজাহিদ হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বলা হয় যে, হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর বাণী অনুসারে- যে ব্যক্তি চাশতের নামাজের ৪ রাকাত নামাজ প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহা ১০ বার এবং আয়তুল কুসরী ১০ বার, দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ১০ বার এবং সূরা কাফিরুন ১০ বার,
তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ১০ বার এবং সূরা নাস এবং সূরা ফালাক ১০ বার, চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতিহা ১০ বার এবং সূরা ইখলাস ১০ বার পাঠ শেষ করে বৈঠকে তাশাহুদ ও সালাম করতে হবে। এরপর ৭০ বার এসতেকফা পড়ার পর ৭০ বার নিম্নের এই দোয়াটি পাঠ করতে হয়।

আজকের আর্টিকেলটি ছিল চাশতের নামাজের নিয়ত এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি রমজানের নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন