বেতের নামাজের নিয়ত , বেতের নামাজের নিয়ম । বিতর নামাজের ফজিলত আজ আমরা জানাবো বিতর নামাজের নিয়ত সম্পর্কে। আপনি যদি বিতর নামাজের নিয়ত সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমাদের আজকের পোস্টটি সাজানো হয়েছে বিতর নামাজের নিয়ত নিয়ে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক বিতর নামাজের নিয়ত কিভাবে করতে হয়।

আপনি যদি বিতর নামাজ পড়েন কিন্তু বিতর নামাজের নিয়ত জানেন না। যদি বিষয়টি এমন হয় তাহলে খুবই দুঃখজনক। নেক নিয়ত ছাড়া কোন ইবাদত/আমল কবুল হবে না। এক্ষেত্রে বিতর নামাজ পড়ার জন্য অবশ্যই আমাদের বিতর নামাজের নিয়ত করতে হবে। Gazivai.com এ টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি মাত্র ২৯৯ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এক্ষুনি কিনুন

বেতের নামাজের নিয়ত

বিতর নামাজের নিয়ত বলতে নির্দিষ্ট কোন বিতর নামাজের নিয়ত নেই। অনেকে হয়তো বিতর নামাজের নিয়ত আরবিতে মুখস্থ করে এবং আরবিতে বিতর নামাজের নিয়ত করে থাকে। শুধু বিতর নামাজের নিয়ত নয়, ইসলামে নিয়তের ব্যাপারে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভালোবাসেন তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা হচ্ছে। Gazivai.com এ ৪৫ টাকা থেকে জুতার দাম শুরু কিনতে এক্ষুনি ক্লিক করুন – এখনই কিনুন 

বেতের নামাজের নিয়ত

নাওয়াইতুয়ান উসালি্লয়া লিল্লাহি তা’আলা সালাছা রাকায়াতি ছালাতিল বিতরে ওয়াজিবুল্লাহি তা’য়ালা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে তিন রাকাত বেতের ওয়াজিব নামাজ আদায় করছি।

বেতের নামাজের নিয়ত

বেতের নামাজের নিয়ম

বিতর নামাজ প্রায় অন্য ফরজ নামাজের মতো। তবে নিয়মের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও খুবেই সহজ। সে ক্ষেত্রে দুই রাকাত নামাজ পড়ে প্রথম বৈঠকে বসবে এবং তাশাহহুদ পড়বে। কিন্তু সালাম ফেরাবে না। এরপর তৃতীয় রাকাত পড়ার জন্য উঠে সুরা ফাতিহা পড়বে। এরপর অন্য কোনো সুরা বা আয়াত মিলাবে।

কিরাত (সুরা বা অন্য আয়াত মিলানোর পর) শেষ করার পর তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠাবে। এবং তাকবিরে তাহরিমার মতো হাত বাঁধবে। তারপর নিঃশব্দে (অনুচ্চ স্বরে) দোয়া কুনুত পড়বে। দোয়া কুনুত পড়ে আগের মতো রুকু-সিজদা করবে। তারপর শেষ তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবে।Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৫০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন  – এখনইব্রাকিনুন

বেতের নামাজের নিয়ত

বিতর নামাজ কত রাকাত

আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করেন, রমজানে নবীজির নামাজ কেমন হতো? জবাবে তিনি বলেন, রমজানে এবং রমজানের বাইরে রাসুল (সা.) ১১ রাকাতের বেশি পড়তেন না। প্রথমে চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কোরো না! এরপর আরো চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা তো বলাই বাহুল্য! এরপর তিন রাকাত (বিতর) পড়তেন। (সহিহ বুখারি : ১/১৫৪, হাদিস ১১৪৭; সহিহ মুসলিম : ১/২৫৪, হাদিস ৭৩৮; সুনানে নাসায়ি ১/২৪৮, হাদিস ১৬৯৭)

সাদ ইবনে হিশাম (রহ.) বর্ণনা করেন, আয়েশা (রা.) তাকে বলেছেন, রাসুল (সা.) বিতরের দুই রাকাতে সালাম ফেরাতেন না। (সুনানে নাসায়ি ১/২৪৮; হাদিস ১৬৯৮; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা ৪/৪৯৪, হাদিস ৬৯১২)।

বিতর নামাজের ফজিলত

বিতর নামাযের গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে অনেকগুলাে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপ:

১) খারেজা ইবনে হুযাফা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমাদের নিকট এসে বললেন: নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তােমাদেরকে একটি নামাজ দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন। উহা তোমাদের জন্য লাল উটের চেয়ে উত্তম। তা হচ্ছে ‘বিতর নামায। এ নামায আদায় করার জন্য তিনি সময় নির্ধারণ করেছেন, এশার নামাজের পর থেকে ফজর উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

২) আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতর নামায পড়েছেন এবং বলেছেন, হে কুরআনের অনুসারীগণ তোমরা বিতর নামায পড়। কেননা আল্লাহ তা’আলা একক, তিনি বিতর নামায পছন্দ করেন।

৩) রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নামায গুরুত্ব সহকারে আদায় করতেন। এমনকি সফরে গেলেও এ নামাজ পড়া ছাড়তেন না।

ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর অবস্থায় ফরয নামায ব্যতীত রাতের নফল নামাজ ইঙ্গিতের মাধ্যমে নিজ বাহনের উপর বসে- বাহন যেদিকে যায় সে দিকেই পড়তেন। তিনি বিতর নামায আরোহীর উপর পড়তেন।

বুখারী, হা/৯৪৫।

আজকের আর্টিকেলটি ছিল বেতের নামাজের নিয়ত এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছে আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ধারণা পেয়েছেন আর্টিকেল পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন