উইন্ডোজ এর কাজ কি, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর সম্পর্কে আমাদের কথা ইন্টারনেটে অনেকেই জানতে চেয়ে থাকেন তো আজকের আর্টিকেল কামড়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি নিয়ে আলোচনা করব অবশ্যই আমাদের আর্টিকেলটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন আশা করি আপনাদের উত্তরটি পেয়ে যাবেন আমাদেরই আর্টিকেলে তো চলুন জেনে নেওয়া যাক, Gazivai.com এ পে-নি-স লম্বা করার ঔষধ মাত্র ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনইঔষধকিনুন
এছাড়া আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন কিংবা অনলাইনে কেনাকাটা বলতে ভালবেসে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে নিতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইটে যে কোন পণ্য বিক্রি করা হয় আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক হচ্ছে, Gazivai.com এ ৫০০ টাকা থেকে মেয়েদের – গুপ্ত – স্থান মেয়েদের পু -শি কিনতে – এখনই কিনুন

উইন্ডোজ এর কাজ কি
এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ডিভাইসগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যেমন কম্পিউটার ল্যাপটপ স্মার্টফোন গুলোতে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ওএস ব্যবহার করা হয় যেগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৮০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই ব্রা কিনুন
উইন্ডোস হচ্ছে একটি প্রোগ্রাম। যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম। আর এই উইন্ডোজ এর মাধ্যমে অন্যান্য অনেক অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার পরিচালনা করা হয়ে থাকে। Gazivai.com এ মাত্র ১০০ টাকা থেকে ব্লুটুথ হেডফোন সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন
১৯৮৫ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত উইন্ডোজ প্রতিনিয়ত আপডেট হয়ে আসছে। সর্বপ্রথম মাইক্রোসফট কর্তৃক উইন্ডোজ বাজারজাত করেন সেটি হচ্ছে উইন্ডোজ ১.০ ভার্শন। এবং বর্তমানে সর্বশেষ মাইক্রোসফট কর্তৃক উইন্ডোজ বাজারজাত হয় উইন্ডোজ ১১ ভার্শন।

উইন্ডোজের ধারাবাহিকতা
উইন্ডোজ তৈরি হওয়ার সেই প্রথম দিন থেকে বর্তমান পর্যন্ত উইন্ডোজের বিভিন্ন ভার্শন ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। তবে নতুন ভার্সনগুলোতে নতুন নতুন সিস্টেম বা সুবিধা যোগ করাতে এগুলো ব্যবহার করে অধিক সুবিধা পাওয়া যায় বলে নতুন ভার্সনের প্রতি সকলের এত উদ্বেগ থাকে। তাই আজ আমরা আপনাদের মাঝে উইন্ডোজের কিছু জনপ্রিয় ভার্সন ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করছি।
উইন্ডোজ 1.0
উইন্ডোজ 1.0 হচ্ছে একটি ১৬ বিট এর অপারেটিং সিস্টেম। আর এর জন্য আপনার প্রয়োজন ১ এমবি কম মেমোরি। সেই সময়ে এটি সামান্য জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এই উইন্ডোজে ড্রপডাউন মেনু, ডায়ালগ বক্স, স্ক্রোল বার এবং আইকন গুলোর মত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কিছু সিস্টেম সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আর ওএস এর এই সংস্করণে কয়েকটি প্রোগ্রাম যোগ করা হয়েছিল যেমন নোটপ্যাড, এসএমএডি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি।
উইন্ডোজ 2.0
উইন্ডোজ 2.0 ১৯৮৭ সালে সংস্করণ করা হয়। আর এটি ব্যবহার করার জন্য আপনার কম্পিউটারটি ১৬ বিটের হলে হবে। এর মেমোরি ক্ষমতা ৩৮৬। এটি সংস্করণ করার মূল কারণ ছিল গতি এবং গ্রাফিক্স সমর্থনকে কেন্দ্র করে। এটি ব্যবহার করার ফলে আরো নতুন কিছু সিস্টেম যোগ করা হয়। যেখানে কীবোর্ড শর্টকাট, লেয়াউট, নিয়ন্ত্রণ স্কিন ইত্যাদি। তাছাড়া এটি সংস্করণে আত্মপ্রকাশ করেছিল কন্ট্রোল প্যানেলের জন্য।
উইন্ডোজ 3.0
উইন্ডোজ 3.0 ২৯ শে মে ১৯৯০ এটি সংস্করণ করা হয়। সংস্করণ করার পরবর্তী সময়ে এটি খুব শীঘ্রই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কারণ এতে উন্নত মানের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছিল। সাথে উন্নত মানের গ্রাফিক্স যোগ করা হয়েছিল।
আজকে আর্টিকেলটি ছিল উইন্ডোজ এর কাজ কি এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিতভাবে উপস্থাপনা করেছি আশা করি আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে এ উত্তরটি পেয়ে গেছেন আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন
