এন্টিজেন এর কাজ কি, সুপ্রিয় পাঠ্যবৃন্দ আজকের আর্টিকেলটিতে আলোচনা করব এন টি জেন এর কাজটি এর সম্পর্কে বিস্তারিত তো আমাদের আর্টিকেলটি অবশ্যই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন আশা করি আমাদের আর্টিকেলটি পরে আপনি উপকৃত হবেন। Gazivai.com এ পে-নি-স লম্বা করার ঔষধ মাত্র ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনইঔষধকিনুন
এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা করতে চান কিংবা অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন তাহলে দেরি না করে এখনি আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে নেন আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক হচ্ছে, Gazivai.com এ ৫০০ টাকা থেকে মেয়েদের – গুপ্ত – স্থান মেয়েদের পু -শি কিনতে – এখনই কিনুন

এন্টিজেন এর কাজ কি
এন্টিজেন (Ag) বলতে একটি আণবিক কাঠামো বোঝায় যা জীবাণু বা বহিরাগত কোন প্যাথোজেনের পৃষ্ঠে থাকতে পারে এবং যা অ্যান্টিবডি বা টি-সেল অ্যান্টিজেন রিসেপ্টারের দ্বারা আবদ্ধ হয়। দেহে অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। Ag এর সংক্ষিপ্তরুপ হলো অ্যান্টিবডি জেনারেটর। Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৮০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই ব্রা কিনুন
অ্যান্টিজেনগুলো হচ্ছে প্রোটিন, পেপটাইডস (অ্যামিনো অ্যাসিড চেইন) এবং পলিস্যাকারাইডস (মনোস্যাকারাইডস / সিম্পল সুগারগুলির চেইন)। লিপিড এবং নিউক্লিক অ্যাসিডগুলো কেবলমাত্র প্রোটিন এবং পলিস্যাকারাইডের সাথে মিলিত হয়ে অ্যান্টিজেন গঠন করে। Gazivai.com এ মাত্র ১০০ টাকা থেকে ব্লুটুথ হেডফোন সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

এটিকে ফরেন প্রোটিন বা নন-সেল্ফ প্রোটিন বলা যেতে পারে। আগে বুঝতে হবে, কোনগুলো সেল্ফ আর কোনগুলো নন-সেল্ফ। মেডিসিনের চিকিৎসক অরুণাংশু তালুকদার বললেন, ‘‘শরীরে হাড়ের প্রোটিন, চামড়ার প্রোটিন সবই আলাদা। সন্তান যখন মায়ের গর্ভে থাকে, তখন থেকেই তার শরীর চিনতে শুরু করে কোনটা তার নিজের আর কোনটা নয়।
এ বার নিজের শরীরের বাইরের প্রোটিন (সে হতে পারে ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়া, প্যারাসাইটস) শরীরে প্রবেশ করলেই শরীর রিঅ্যাক্ট করে। কারণ সেটা তো নন-সেল্ফ প্রোটিন। শরীর তাকে চেনে না। এই প্রোটিনকেই শরীর অ্যান্টিজেন হিসেবে গণ্য করে।’’
ভাইরাস নিজে থেকে কিন্তু মাল্টিপ্লাই হতে পারে না। হোস্ট অর্থাৎ আক্রান্তের শরীরের বাইরে সে বংশবিস্তার করতে পারে না। জেনারেল ফিজ়িশিয়ান ডা. সুবীর কুমার মণ্ডল বললেন, ‘‘ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পরে ওর জেনেটিক মেটিরিয়াল আমাদের কোষে ঢুকিয়ে দেয়। তার পর আমাদের কোষের প্রোটিন তৈরির মেশিনারি কাজে লাগিয়ে ও নিজস্ব কপি তৈরি করতে শুরু করে। এটাই ভাইরাসের জীবনচক্র। এই ভাইরাসের প্রোটিনকে শরীর অ্যান্টিজেন হিসেবে গণ্য করে। করোনার যেমন স্পাইক প্রোটিন।’’
আজকের আর্টিকেলটি ছিল অ্যান্টিজেন এর কাজ কি এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উপরের অংশ উপস্থাপনা করেছি তো আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে সেটি অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে কমেন্ট করে জানাবেন
