অনলাইন শপ ( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে : ketotifen ট্যাবলেট এর কাজ কি সম্পর্কে কথা বলব :Tketotifen ট্যাবলেট এর কাজ কি? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের.। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক ketotifen ট্যাবলেট এর সম্পর্কে আলোচনা।

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন- 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন
আমাদের ওয়েবসাইটটি তৈরি করা হয়েছে। সেটা হলো ভিবিন্ন ওষুধের দাম,খাওয়ার নিয়ম,কিসের ঐষদ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ আরো অনেক কিছু আমাদের ওয়েবসাইটে শেয়ার করা হবে। আসা করি আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনেক উপকৃত হবেন।
এছাড়াও আপনি যদি অনলাইনে কেনাকাটা পছন্দ করেন তবে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইটের ঠিকানা হল অনলাইন শপ gazivai.com আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যা আপনি খুবই কম মূল্যে কিনতে পারবেন এবং আপনি অর্ডার করে দিলে আমাদের বিক্রয় প্রতিনিধি আপনার কাছে পৌঁছে দিবেন খুবই তাড়াতাড়ি তো আর দেরি না করে আপনি এখনি অর্ডার করে ফেলুন আমাদের অনলাইন শপে এবং আমাদের প্রতিনিধি আপনার সাথে যোগাযোগ করে আপনার অর্ডারটি পৌঁছে দিবে.. আপনি অনলাইনে অর্ডার না করতে চাইলে আমাদের নাম্বারে দেওয়া নাম্বারটিতে সরাসরি যোগাযোগ করে অর্ডার করে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পণ্যটি
Gazivai.com এ পে-নি-স লম্বা করার ঔষধ মাত্র ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই ঔষধ কিনুন
Gazivai.com এ ৫০০ টাকা থেকে মেয়েদের – গুপ্ত – স্থান মেয়েদের পু -শি কিনতে – এখনই কিনুন
ketotifen ট্যাবলেট এর কাজ কি
কিটোটিফেন এর এন্টি-এলার্জিক গুণাবলী রয়েছে। হাঁপানী রােগের প্রতিরােধ চিকিৎসায় সােডিয়াম ক্রোমােগ্লাইকেট এর মত কিটোটিফেন ব্যবহৃত হয়। কিটোটিফেন এন্টিহিস্টামিন কার্যকারিতাও প্রদর্শন করে। কিটোটিফেন এর উল্লেখযােগ্য এন্টি-এ্যানাফাইল্যাকটিক গুণাবলী রয়েছে। কিটোটিফেন হাঁপানীর আক্রমণ প্রতিরােধে কার্যকর।
কিটোটিফেন হিস্টামিনের কার্যকারিতা দীর্ঘসময় ধরে প্রতিহত করে, যা কিটোটিফেন এর এন্টি-এ্যানাফাইল্যাকটিক গুণাগুণ থেকে আলাদা। পরীক্ষামূলক গবেষণায় দেখা গেছে যে কিটোটিফেন মুখে সেবনের পর মাস্ট কোষ স্থিতকারী ইনহেলারের মতই কার্যকর। এসব পরীক্ষায় অন্যান্য এন্টিহিস্টামিন ওষুধগুলাে অকার্যকর বলে প্রমাণিত। হাঁপানী রোগীদের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এর প্রমান পাওয়া গেছে। কিটোটিফেন ব্যবহারে হাঁপানীর আক্রমণের সংখ্যা, তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব কমে যায়।

কোন কোন ক্ষেত্রে রোগী সম্পূর্ণ হাঁপানীর আক্রমণ থেকে দূরে থাকে। কিটোটিফেন ব্যবহারের ফলে কর্টিকোষ্টেরয়েড এবং / অথবা ব্রঙ্কোডাইলেটর এর ব্যবহারের মাত্র কমিয়ে দেয়া যেতে পারে। কিটোটিফেন এর প্রতিরােধী কার্যকারিতা প্রকাশ পেতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে। হাঁপানীর সুনির্দিষ্ট আক্রমণ কিটোটিফেন প্রতিহত করে না।
এইচ ১-অ্যান্টিহিস্টামিন এবং এটি মস্ত কোষ স্টেবিলাইজার যা দুটি ফর্ম হিসাবে পাওয়া যায়। প্রথমত, অ্যালার্জিক কনজাঙ্কটিভাইটিসের চিকিৎসার জন্য চোখের ফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা হয় এবং দ্বিতীয়ত, অ্যানাফাইল্যাক্সিস বা হাঁপানি আক্রমণ, পাশাপাশি বিভিন্ন মস্ত কোষ বা অ্যালার্জির মতো স্বাস্থ্য সমস্যাকেও প্রতিরোধ করতে ব্যবহৃত হয়। চোখের ফর্ম হিসেবে Ketotifen ঋতু অনুযায়ী অ্যালার্জি যেমন চোখের জ্বালা বা চুলকানিকে প্রতিরোধ করে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে ওষুধটি কাজ শুরু করে।
এই ওষুধের প্রভাব তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের উপর এখনও বিচার করা হয় নি। ওষুধটি অ্যান্টি-হিস্টামিনের ক্রিয়াকলাপের পাশাপাশি এটি একটি লিউকোট্রিন অ্যান্টাগোনিস্ট এবং ফোসোডিয়েস্টারেজ ইনহিবিটার হিসাবেও কাজ করে।
মুখ দিয়ে গ্রহণ করতে হয় Ketotifen হাঁপানি, অ্যালার্জিক কনজাঙ্কটিভাইটিস, দীর্ঘস্থায়ী ছুলি, ব্যায়াম প্রবর্তিত ছুলি, অ্যালার্জি রিনাইটিস, অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস, কোলিনার্জিক ছুলি, ঠান্ডা লেগে ছুলি এবং অন্যান্য অ্যালার্জিক সমস্যাগুলি চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি বড় বাচ্চাদের জন্য Ketotifen ওষুধের প্রস্তাবিত ডোজ প্রতিদিন ১ এম জি করে দুইবার। Ketotifen ব্যবহার করার সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলির মধ্যে নাক থেকে রক্তপাত, জ্বালা, ওজন বৃদ্ধি, শুষ্ক মুখ এবং মাথা ব্যাথা অন্তর্ভুক্ত। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কারণে খুব বড় বা কোন গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না।
ketotifen ট্যাবলেট এর কাজ : ব্রংকিয়াল এ্যাজমাতে প্রোফাইল্যাকটিক ট্রিটমেন্ট এবং এলার্জিক রাইনাইটিস ও কনজাংটিভাইটিস এ সিম্পটোমেটিক ট্রিটমেন্ট হিসেবে নির্দেশিত।
মাত্রা ও সেবনবিধি : প্রাপ্ত বয়স্কঃ ১ মিগ্রা. করে দিনে ২ বার খাবারের সাথে। জটিল পরিস্থিতিতে মাত্রা প্রয়োজনে প্রতিদিন ২ মিগ্রা. পর্যন্ত বাড়তে পারে।
২ বছরের অধিক শিশুঃ ১ মিগ্রা. করে প্রতিদিন দুইবার খাবারের সাথে। খুব বেশি ঘুম পেলে চিকিতসা শুরুর প্রথম কদিন রাতের বেলা ০.৫ থেকে ১ মিগ্রা. করে কিটোটিফেন চিকিতসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেয়া যেতে পারে।
বার্ধক্যঃ প্রাপ্ত বয়স্কদের মত অথবা চিকিতসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া : তন্দ্রাচ্ছন্নতা, মুখ গহ্বরের শুষ্কতা, সামান্য মাথা ঘোরা ভাব হতে পারে।
আরও পড়ুন: মেয়েদের দু-ধ বড় করার ঔষধের নাম ও দাম
আরো পড়ুনঃ ঘুমের ঔষধের নাম ও ছবি দেখে নিন
আরও পড়ুন: মাথা ব্যথার ১০ টি ঔষধের নাম ও দাম






