কোষ প্রাচীর এর কাজ কি, কোষ প্রাচীর কি, কোষ প্রাচীরের গঠন ও কাজ ইন্টারনেটে অনেকেই এই বিষয়ে প্রশ্ন করে থাকেন তো আমাদের আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব তো চলুন জেনে নেয়া যাক, Gazivai.com এ মাত্র ১০০ টাকা থেকে ব্লুটুথ হেডফোন সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন
একই সাথে আপনি যদি অনলাইন থেকে কেনাকাটা করতে চান কিংবা অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন তাহলে আপনি দেশের যেকোনো জায়গা থেকে সবথেকে সাশ্রয়ী দামে কেনাকাটা করতে ভিজিট করুন, আমাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ঠিকানা, Gazivai.com এ – মেয়েদের ব্রা ৮০ টাকা থেকে শুরু ব্রা প্যান্টি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই ব্রা কিনুন
কোষ প্রাচীর এর কাজ কি
কোষ প্রাচীর হল একটি কাঠামোগত স্তর যা কোষের ঝিল্লির ঠিক বাইরে থেকে কয়েক ধরণের কোষকে ঘিরে থাকে। এটি শক্ত, নমনীয় এবং কখনও কখনও অনমনীয় হতে পারে। এটি কোষকে কাঠামোগত সমর্থন এবং সুরক্ষা উভয়ই প্রদান করে। তাছাড়া এটি কোষের একটি ফিল্টারিং প্রক্রিয়া হিসাবেও কাজ করে। Gazivai.com এ পে-নি-স লম্বা করার ঔষধ মাত্র ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই ঔষধ কিনুন
কোষপ্রাচীরের কাজ হলো কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা। কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করা। কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখা। পার্শ্ববর্তী কোষের সাথে প্লাজমোডেজমাটা সৃষ্টির মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করা। উদ্ভিদ কোষের ভেতরে ও বাইরের তরল (পানি ও খনিজ) পদার্থের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা।
তবে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর প্রােটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড দিয়ে এবং ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি। প্রাথমিক কোষপ্রাচীরটি একস্তরবিশিষ্ট। মধ্য পর্দার উপর প্রােটোপ্লাজম থেকে নিঃসৃত কয়েক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য জমা হয়ে ক্রমশ গৌণপ্রাচীর সৃষ্টি হয়। এ প্রাচীরে মাঝে মাঝে ছিদ্র থাকে, যাকে কূপ বলে।
কোষপ্রাচীর কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে, কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে। পাশের কোষের সাথে প্লাজমােডেজমাটা (আণুবীক্ষণিক নালি) সৃষ্টির মাধ্যমে যােগাযােগ রক্ষা করে এবং পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।Gazivai.com এ ৫০ টাকা থেকে দেশি এবং বিদেশি জুতা কম দামে কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন
কোষ প্রাচীরের গঠন
কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান হচ্ছে সেলুলোজ নামক একটি নিষ্ক্রিয় পলিস্যাকারাইড। সেলুলোজ ছাড়াও কোষপ্রাচীরে যে সকল কার্বোহাইড্রেট থাকে তার মধ্যে হেমিসেলুলোজ ও পেকটিনসই প্রধান।
কোষপ্রাচীরে অবস্থিত পেকটিন তিন প্রকার, যথা– প্রোপেকটিন, পেকটিন এবং পেকটিক এসিড। কোষপ্রাচীরের উপাদান হিসেবে যেসব হেমিসেলুলোজ পাওয়া যায় তাদের মধ্যে জাইলান, মানান, গ্লুকান, ও গ্যালাকটান উল্লেখযোগ্য। এছাড়া কোষপ্রাচীরে লিগনিন, কিউটিন, সুবেরিন ও মোম জাতীয় পদার্থও অবস্থান করতে পারে।
কোষ প্রাচীর কি
জড় ও শক্ত যে প্রাচীর দিয়ে উদ্ভিদকোষ পরিবেষ্টিত থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে।
বন্ধুরা আজকে আমাদের আর্টিকেলকে ছিল কোষ প্রাচীর এর কাজ কি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমরা উপরের অংশ তুলে ধরছি তো আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ
