গাজীভাই ডটকম এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্বাগতম Seclo 20 mg এর কাজ কি সম্পর্কেঃ এছাড়াও আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো ; Seclo 20 mg এর কাজ কি এই ওষুধ টা সম্পর্কে। এ ছাড়াও আপনাদের যদি কোন মতামত থাকে সেটি আমাদের কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আপনারা আমাদের অনলাইন শপে পেয়ে যাবেন আপনাদের বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় সব জিনিস। অতি সহজেই অর্ডার করতে পারবেন। তো চলুন বন্ধুরা আমরা আমাদের মূল আলোচনায় চলে যাই।

Seclo 20 mg এর কাজ কি

পার্সোনাল এবং গোপনীয় পণ্য কিনতে ভিজিট করুন educationonlineshop.com ওয়েবসাইট অথবা সরাসরি কিনতে ফোন করুন 01622913639 এই নাম্বারে

এছাড়াও আমাদের অনলাইন সবথেকে আপনি যেকোনো জিনিস কিনতে হলে ভিজিট করুন gazivai.com এছাড়াও আমাদের নিচের দেওয়া নাম্বারটিতে কল করে আপনি অর্ডার করতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় যেকোনো জিনিসপত্র এবং আপনি পেয়ে যাবেন আমাদের অনলাইন শপের সবচেয়ে কম মূল্যে আপনার সবচেয়ে পছন্দের জিনিসগুলো তো প্রিয় পাঠক চলুন আর দেরি না করে আমরা এখনই শুরু করি আমাদের মূল আলোচনা এবং আপনার পছন্দের জিনিসগুলো অর্ডার করে আমাদের সাথেই থাকুন ,

আরো পড়ুনঃ ২০ মিনিট সেক্স করার মেজিক কনডম কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ড্রাগন কনডম সরাসরি কিনতে ক্লিক করুনএখনই কিনুন

আমাদের ফোন নম্বরটি হলে :01622913639 এই নাম্বারটিতে কল করে আপনি অর্ডার করে নিন আপনার পছন্দের পণ্য গুলো এবং আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে পৌঁছে দেবে আপনার পছন্দের পণ্যটি,

Seclo 20 mg এর কাজ কি

একটি প্রতিস্থাপিত বেনজিমিডাজল জাতীয় ঔষধ, যা গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি গ্যাস্ট্রিক প্যারাইটাল কোষের হাইড্রোজেন-পটাশিয়াম-এ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেটেজ এনজাইম সিষ্টেম (H+/K+ ATPase)-কে বাধা দিয়ে গ্যাস্ট্রিক এসিড নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। মুখে সেবনের পর সেকলোের এসিড নিঃসরণ বিরোধী কার্যক্রম ১ ঘন্টার মধ্যে শুরু হয়, যা ২ ঘন্টায় সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছে এবং ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত বিরাজ করে। যখন এটি সেবন বন্ধ করা হয়, তখন এসিড নিঃসরণ প্রক্রিয়া ৩-৫ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

Seclo 20 mg এর কাজ কি

ব্যবহার: গ্যাস্ট্রোইসােফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ যেমন – রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস, এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ, বিনাইন (মারাত্মক নয় এমন) গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার, হেলিকোব্যাকটার পাইলােরি জনিত পেপটিক আলসার ডিজিজ, এসিড এসপিরেশন প্রতিরােধে, জোলিঞ্জারএলিসন সিনড্রোম এবং নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহরােধী ওষুধ দ্বারা চিকিৎসার ফলে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ডিওডেনাল আলসার এর চিকিৎসায় নির্দেশিত। সেকলাে ৪০ আইভি ইঞ্জেকশন প্রধানতঃ জোলিঞ্জারএলিসন সিনড্রোম এর চিকিৎসায় নির্দেশিত । তাছাড়া ইহা গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনাল আলসার এবং রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস এর চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়।

বাণিজ্যিক নাম সেকলো
জেনেরিক ওমিপ্রাজল
ধরণ ট্যাবলেট (সাস্টেইনড রিলিজ), ক্যাপসুল, ট্যাবলেট (ডিলেড রিলিজ)
পরিমাপ 20mg, 40mg
চিকিৎসাগত শ্রেণি Proton Pump Inhibitor
উৎপাদনকারী Square Pharmaceuticals Ltd
উপলভ্য দেশ Bangladesh

সেকলো খাওয়ার নিয়ম: ক্যাপসুল এবং ট্যাবলেট: খাবারের পূর্বে গ্রহণ করা উচিত।
নির্দেশনা মাত্রা ও প্রয়ােগবিধি:

গ্যাস্ট্রোইসােফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ স্বাভাবিক মাত্রায় সেকলো ২০ মি.গ্রা, দিনে ১ বার ।
অধিকাংশ রােগী ৪ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে।
যেসব রােগীদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসায় পূর্নভাবে রােগ নিরাময় হয় না সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৪-৮ সপ্তাহ চিকিৎসায় রােগ নিরাময় হয়।
রিফ্লাক্স ইসােফেগাইটিস রােগীদের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারে যেখানে পর্যাপ্ত সাফল্য পাওয়া যায়নি, সেক্ষেত্রে সেকলো দৈনিক ৪০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেব্য।
৮ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে নিরাময় হয়। পরবর্তীতে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. মাত্রায় সেবন করা যেতে পারে। এসিড রিফ্লাক্স ডিজিজ। দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসায় সেকলো দৈনিক ১০ মি.গ্রা. মাত্রায় নির্দেশিত।
লক্ষণসমূহ পূনরাবৃত্তি হলে দৈনিক ২০ মি.গ্রা. পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ডিওডেনাল এবং বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার, সেকলো দৈনিক ২০ মি.গ্রা.।
অধিকাংশ রােগী ৪ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে।
অধিকাংশ বিনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসারের রােগী ৮ সপ্তাহ পরে আরােগ্য লাভ করে।
জটিল অথবা লক্ষণসমূহের পূনরায় আবির্ভাব হলে ওমি বৃক্কের অকার্যকারিতা: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়ােজন নেই।
যকৃতের অকার্যকারিতা: যেহেতু যকৃতের অসমকার্যকারিতার রােগীদের ক্ষেত্রে সেকলো এর প্লাজমা হাফ-লাইফ বেড়ে যায় তাই ১০-২০ মি.গ্রা. দৈনিক মাত্রা যথেষ্ট।
বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে: মাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়ােজন নেই।
শিশুদের ক্ষেত্রে: সেকলো আইভি ব্যবহারের পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সেকলো ওরাল ক্যাপসুল চিবানাে বা গুড়াে করা উচিত নয় এবং সম্পূর্ণ গিলে খাওয়া উচিত।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: সেকলো ভালভাবে সহনীয়। মৃদু এবং অস্থায়ী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, তলপেটে ব্যথা, অস্বস্থিবােধ, মাথা ঝিম্ ঝিম্ করা এবং মাথা ব্যথা। এসব ক্ষেত্রে সেবন মাত্রা কমানাের প্রয়ােজন নেই।

আরও পড়ুন: লম্বা হওয়ার দোয়া, যে দোয়ার মাধ্যমে লম্বা হওয়া যায়

আরও পড়ুন: দীর্ঘ সময় মিলন করার ইসলামিক পদ্ধতি